kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১০ মাঘ ১৪২৬। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

রাজাকারের তালিকা প্রকাশ সকাল ১১টায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৯:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজাকারের তালিকা প্রকাশ সকাল ১১টায়

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষে কাজ করা রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করছে সরকার। আজ রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর সদস্যদের নাম জানাবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক।

জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় 'রাজাকারের তালিকা' প্রকাশের সহায়তা চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠালে সেখান থেকে প্রায় ১১ হাজার ব্যক্তির একটি তালিকা সরবরাহ করা হয়েছে। জানা গেছে, স্বাধীনতার পর দালাল আইনে যেসব ব্যক্তির নামে মামলা হয়েছিল সেই মামলাগুলোর রেকর্ড থেকে ওই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এটি নতুন কোনো তালিকা নয়। বরং রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসেবে যারা ভাতা নিয়েছেন বা যাদের নামে অস্ত্র এসেছে, তাদের নাম-পরিচয় ও ভূমিকাসহ  তালিকা সেই ১৯৭১ সালেই জেলাসহ স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সেই রেকর্ড সংগ্রহ করে এই তালিকা করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক গত শুক্রবার রাতে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত রেকর্ড এবং জেলা প্রশাসকদের পাঠানো তালিকার ভিত্তিতে এই 'রাজাকারের তালিকা' প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিকভাবে ১১ হাজার জনের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। এদের এবং একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত সংগঠনগুলোকে বিচারের আওতায় আনা হবে কি না সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, 'আপাতত তালিকা প্রকাশ করছি, সংগঠনের বিচারের বিষয়টিও পরে ভাবা যাবে।'

গত মে মাসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সে অনুসারে যেসব রাজাকার মুক্তিযুদ্ধের সময় থানা ও রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা নিত তাদের তালিকা পাঠানোর জন্য গত ২১ মে সব জেলা প্রশাসককে চিঠি দেয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে ২৮ আগস্ট আবারও তাগিদপত্র দেওয়া হয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এরপর মাত্র ১০ জেলা থেকে ৩৯৯ জন রাজাকারের তালিকা আসে। সেসব তালিকায় যশোরে ১২৬, চাঁদপুরে ৯, মেহেরপুরে ১৬৯, শরীয়তপুরে ৪৪, বাগেরহাটে এক এবং নড়াইলে ৫০ জনের নাম আছে। খাগড়াছড়ি, মাগুরা, শেরপুর, গাইবান্ধা জেলায় কোনো বেতনভোগী রাজাকার ছিল না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা