kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সিপিবি’র সংহতি অবস্থান কর্মসূচিতে সেলিম

পাটকল শ্রমিকের মজুরি না দিয়ে মন্ত্রী-আমলাদের বেতন হলে ঘেরাও কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৬:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাটকল শ্রমিকের মজুরি না দিয়ে মন্ত্রী-আমলাদের বেতন হলে ঘেরাও কর্মসূচি

পাটকল শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধের আগে মন্ত্রী-আমলাদের বেতন হলে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও করার হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। আজ  বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে পাটকল শ্রমিকদের চলমান আমরণ অনশনের প্রতি সংহতি জানিয়ে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তৃতাকালে তিনি এই হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

সিপিবি’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংহতি অবস্থান কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল্লাহ ক্বাফী রতন, কোষাধ্যক্ষ মাহাবুব আলম, কেন্দ্রীয় সম্পাদক আহসান হাবীব লাবলু, রুহিন হোসেন প্রিন্স, জলি তালুকদার, লতিফ বাওয়ানী পাটকল সিবিএ’র প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা কাজী রুহুল আমীন, যুবনেতা ডা. সাজেদুল হক রুবেল, কৃষকনেতা জাহিদ হোসেন খান, পরিবহন শ্রমিকনেতা হযরত আলী, হকারনেতা মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, ক্ষেতমজুর নেতা আরিফুল ইসলাম নাদিম, উদীচীর কোষাধ্যক্ষ পারভেজ মাহমুদ, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা অনিক রায় প্রমুখ।

কর্মসূচিতে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, পাটকল শ্রমিকরা ১৫ সপ্তাহ মজুরি পাচ্ছে না। যখন ব্যাংক লুট হয়, দেশ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হয় তখন সরকারের মন্ত্রীরা বলেন এই টাকা কিছুই না। এখন শ্রমিকের বকেয়া মজুরি পরিশোধের সময় সেই তুলনায় অতি সামান্য অর্থ যোগান দিতে তাদের সমস্যা হচ্ছে। ধনী শ্রেণির স্বার্থরক্ষায় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের পরামর্শে সরকার পাট শিল্পকে ক্রমেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সিপিবি সভাপতি বলেন, ‘নিও লিবারেল ইকোনমি’ নামে গণবিদ্বেষী নীতিতে দেশ চালাচ্ছে সরকার। তারা সমস্ত কলকারখানা এবং পরিসেবাখাত বেসরকারিকরণের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে পাটশিল্পে ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ’ নামে সকল পাটকলের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি লুটের বাজারে তোলার চক্রান্ত চলছে। পাট শিল্পকে ক্রমাগত লোকসানিখাত হিসেবে দেখিয়ে তারা তাদের অভিপ্রায় বাস্তবায়ন করতে চায়। 

তিনি আরো বলেন, পাটকল শ্রমিকরা পাটশিল্প রক্ষার যে ১১ দফা দাবি তুলে ধরেছে তার সাথে কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক আন্দোলন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশ বাঁচাতে হলে বর্তমান গণবিরোধী সরকারকে উচ্ছেদ করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা