kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

'স্মার্ট সিটি বাস্তবায়নে জনবান্ধব আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসুন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'স্মার্ট সিটি বাস্তবায়নে জনবান্ধব আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসুন'

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, স্মার্ট সিটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন ইনোভেটিভ ও জনবান্ধব আইডিয়া নিয়ে নগরপরিকল্পনাবিদ ও প্রকৌশলীগণ এগিয়ে আসুন; আমরা সেগুলো বাস্তবায়ন করবো।

আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর কাউন্সিল হলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত “স্মার্ট সিটি ইনিশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেয়র এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় শুধু বড় বড় সিটি কর্পোরেশন নয় বরং স্থানীয় সরকারের সকল স্তরেই আধুনিকায়ন করতে কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ জনগনকে সম্ভাব্য সকল সেবাই যাতে ইউনিয়ন বা উপজেলা থেকে দেয়া যায় সেলক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। 

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১০ বছরে আমাদের আয় এবং ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে কয়েকগুন, স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে আনুপাতিক হারে বেড়েছে বর্জ্য উৎপাদন। এত অধিক বর্জ্য সনাতন পদ্ধতিতে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দূরুহ হয়ে পড়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমাদের অবশ্যই আধুনিক ও স্মার্ট হতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ নানান নাগরিক সেবা সহজতর করতে ঢাকা উত্তরের মেয়রকে তার বিভিন্ন ইনোভেটিভ উদ্যোগের জন্য আমি সাধুবাদ জানাই। 

তিনি বলেন, জেলা উপজেলা পর্যায়ে আমাদের আরেকটি চিন্তার বিষয় আবাসন ও কৃষি জমির ব্যবহার বন্টন নিয়ে। আমারা গ্রামের মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করছি যাতে তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাসা বাড়ি না করে আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলে। কারণ আমাদের কৃষি জমি অমূল্য সম্পদ, এটিকে নষ্ট করা যাবে না। একদিকে কৃষি জমিও যেমন রক্ষা করতে হবে তেমনি সমন্বিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে নাগরিক সেবা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করাও সহজ হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশনারি লিডারশিপ নিয়ে এগিয়ে চলছি আমরা। শুধু বর্তমান ভালো থাকা নয়, তিনি আগামী ১০০ বছরের জন্য পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। আর আমরা ডিএনসিসি সেই পরিকল্পনা বাস্তাবায়নে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে, আধুনিক ঢাকা গড়ার জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি। তবে আমাদেরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। 

তিনি বলেন, এদেশে অনেক মেধাবী এবং বিশ্বখ্যাত স্কলার, গবেষক, বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী রয়েছেন, কিন্তু তাদের মেধার সুফল পেতে আমাদেরকে অবশ্যই সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। আমি তাদেরকে আহ্বান জানাই, আপনারা আসুন, আপনাদের মতামত, গবেষণা, চিন্তা, আইডিয়া শেয়ার করুন। আমরা সেগুলো বাস্তবায়ন করবো। 

তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি আমাদের বুয়েটই যথেষ্ঠ আমাদের সকল কারিগরী সহায়তার জন্য। এছাড়া অন্যান্য প্রকৌশলীরা তো আছেই। আপনারা আসুন, বিভিন্ন ইনোভেটিভ ও নাগরিক সেবা বান্ধব আইডিয়া নিয়ে, আমাদের সহযোগিতা করেন, আমরা অবশ্যই ঢাকাকে স্মার্ট সিটি করবো ইনশাআল্লাহ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা