kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

হাইকোর্টের রুল

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিনটি ধারায় একমাত্র শাস্তি কেন অসাংবিধানিক নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৭:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিনটি ধারায় একমাত্র শাস্তি কেন অসাংবিধানিক নয়

ধর্ষণ এবং ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার চেষ্টা অথবা আহত করার চেষ্টার দায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একমাত্র শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান কেন অসাংবিধানিক ও বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানোর দায়ে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধানও কেন অসংবিধানিক ও বাতিল করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১), ৯(৪) (ক) ও ১১(ক) নম্বর ধারায় একমাত্র শাস্তির বিধান কেন অসংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ রুল জারি করেন। আইন সচিব, নারী ও শিশু বিষয়ক সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, মো. আসাদ উদ্দিনসহ সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রিট আবেদনকারী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

রিট আবেদনে বলা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতম দমন আইন-২০০০ এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণের জন্য একমাত্র শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। এছাড়া ধারা ৯(৪)(ক) ধারায় ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটনানোর চেষ্টা বা আহত করার চেষ্টা জন্য একমাত্র শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। এছাড়া ১১(ক) ধারায় যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানোর একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। যা সংবিধান পরিপন্থী। একমাত্র সাজা নির্ধারণ করার মাধ্যমে আদালতের বিচারিক এখতিয়ারকে খর্ব করা হয়েছে। এটা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা