kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

উল্লাপাড়ায় নারীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা

সেই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা, জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:০৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা, জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ২ সন্তানের জননীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১১ ডিসেম্বর বুধবারের মধ্যে সিরাজগঞ্জের ডিসি, এসপি ও উল্লাপাড়ার থানার ওসির যোগাযোগ করে তা জানাতে সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুর্টি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।

ওই নারীর চুল কাটা নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আনার পর আদালত এ আদেশ দেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান পত্রিকায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার উপস্থিত ছিলেন।  

এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘মাছকাটা বটি দিয়ে গৃহবধূর মাথার চুল কেটে দিলো আ. লীগ নেতা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ২ সন্তানের জননীর মাথার চুল বটি দিয়ে কেটে দিয়েছে এক আওয়ামী লীগ নেতা। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর নাম বিলকিস খাতুন (৩৪)। তার স্বামীর নাম জাহাঙ্গীর হোসেন। তাদের বাড়ি উধুনিয়া ইউনিয়নের গজাইল গ্রামে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুর রশিদ। ঘটনার সময় তার সঙ্গে ৪ সহযোগী ছিল বলে জানা গেছে।

গত ২৫ নভেম্বর রাতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে ২ ডিসেম্বর উল্লাপাড়া মডেল থানায় ওই আওয়ামী লীগ নেতা ও তার ৪ সহযোগীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার নম্বর ২। 

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন-গজাইল গ্রামের মোজাহারের ছেলে মুনসুর (৩৮), বাহের প্রামাণিকের ছেলে আব্দুস সালাম (৪৫), নাসির উদ্দিন (৪০) ও শহিদুল ইসলাম (৩২)।

এ মামলা দায়ের করার পর থেকে আসামিরা ভুক্তভোগীকে হুমকি দিয়ে আসছে। একের পর এক হুমকির ভয়ে ওই গৃহবধূ পার্শ্ববর্তী তরফ বায়রা গ্রামের বাবার বাড়ি গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আর এ ঘটনার পর থেকে গ্রেপ্তার এড়াতে ওই আওয়ামী লীগ লীগ নেতা ও তার সহযোগীরা আত্মগোপনে থেকে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা