kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

নারী সাংবাদিকদের ‘বাচনিক যৌন নিপীড়ন’ ড. নজরুলের বক্তব্য

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৬:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারী সাংবাদিকদের ‘বাচনিক যৌন নিপীড়ন’ ড. নজরুলের বক্তব্য

সোমবার কুড়িগ্রামে নিউজ নেটওয়ার্ক ও উদয়ঙ্কুর সেবা সংস্থার আয়োজনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিষয়ক এক কর্মশালায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামের উপস্থাপনায় উঠে আসে, পোশাকের কারণে নারী সাংবাদিকরা যৌন হয়রানির শিকার হন।

যৌন হয়রানি থেকে বাঁচতে তাদের পরামর্শ দেয়া হয় বিয়ের চিহ্ণস্বরূপ অলঙ্কার পরার। ভেজা চুলে বাইরে না যাওয়ার।

নারী সাংবাদিকদের জন্য আপত্তিকর এই সুপারিশের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এ পেশায় জড়িতরা। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান তারা। এসব সুপারিশকে উল্টো বাচনিক যৌন নিপীড়ন হিসেবে দেখছেন গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা।

প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় একে বাচনিক যৌন নিপীড়ন বলছেন সাংবাদিকতার শিক্ষকরা।

অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘পুরুষতান্ত্রিকভাবে নারীকে দেখার যে দৃষ্টিভঙ্গি সেখান থেকে তথাকথিত প্রশিক্ষকও আসলে মুক্ত না। এ কথা দিয়ে নারীকে একটু আটকে দেওয়ার একটা পশ্চাদপদ চিন্তা, যেটা হেফাজতিরা করে থাকে, অধ্যাপক ড. নজরুলের বক্তব্যেও এমনটা খুঁজে পেয়েছি আমি।’

এদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. নজরুল বলেন, কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্য এ বক্তব্য দেননি তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি আমার ফেসবুকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছি আমি মনগড়া কিছুই সেখানে বলিনি। সবকিছুই আমি রেফারেন্সসহ উল্লেখ করেছি। তারপরও যদি কারো অনুভূতিতে আঘাত লাগে তাহলে সকলের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থী।’

যদিও নারী সাংবাদিকদের জন্য এ ধরনের বক্তব্যকে আপত্তিকরই বলছেন এ পেশায় সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সাংবাদিকতার মতো ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে ধাপে ধাপে। এজন্য পাড়ি দিতে হয়েছে অনেকটা পথ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা