kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

'খালেদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না দেওয়া জেলকোড লঙ্ঘন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'খালেদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না দেওয়া জেলকোড লঙ্ঘন'

'খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হচ্ছে না এটা জেলকোডের চরম লঙ্ঘন। এর মাধ্যমে বিধি-বিধানকে উপেক্ষা করে প্রতিহিংসার বিধানকেই চরিতার্থ করা হচ্ছে। আমরা বর্তমানে তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে চরম আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছি।' 

আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

রিজভী বলেন, গত ২৫ দিন ধরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না স্বজনদের। গত ১৩ নভেম্বরের পর থেকে আর সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তাঁকে সম্পূর্ণ বিনা অপরাধে ৬৬৫ দিন হলো অবৈধ ক্ষমতার জোরে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আইন-আদালত, ন্যায় বিচার, সংবিধান, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার, বয়স, অসুস্থতাসহ সব বিবেচনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জামিন পাওয়া আইনগত অধিকার।

রিজভী আরো বলেন, দেশ-বিদেশের আইনজ্ঞরা বলছেন, এ মামলায় জামিন না পাওয়া বিস্ময়কর। তিনি নিশ্চিতভাবেই জামিনের হকদার। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি করবেন। ৫ ডিসেম্বররের মধ্যে তাঁর শারীরিক অবস্থার সবশেষ অবস্থার প্রতিবেদন দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা এত খারাপ যে, এ মুহূর্তে তাঁকে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা না হলে তাঁর  জীবনহানির চরম ঝুঁকি রয়েছে। সুচিকিৎসার অভাবে তার যে ড্যামেজ হচ্ছে, সেটা আর ফিরে আসবে না। তার বাম হাত ও শরীরের বাম দিক প্রায় প্যারালাইজড হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কারও সাহায্য ছাড়া তিনি বিছানা থেকে উঠতে পারেন না।

অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবি করে রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের মুক্তির একটি অন্যতম শর্ত হলো খালেদা জিয়ার মুক্তি। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের দুটি জায়গা রয়েছে- একটি  সংসদ অন্যটি রাজপথ। গণতন্ত্রের স্পেস সংকুচিত হলে রাজপথেই গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য কাজ করতে হবে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা