kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

খালেদার জামিন বিষয়ে প্রতিহিংসা নেই : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২০:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খালেদার জামিন বিষয়ে প্রতিহিংসা নেই : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করার কারণে প্রথমে বিচারক আদালতে দণ্ডিত হন। পরে উচ্চ আদালতেও দণ্ডিত হন। আরেকটি মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডিত হন। এখানে সরকারের প্রতিহিংসা নেই। তার জামিনের বিষয়টি সম্পূর্ন আদালতের এখতিয়ার। এক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রশ্নই ওঠে না। মঙ্গলবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

সরকারি কৌঁসুলি জিপি এবং পিপিদের ২১তম বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, বিএনপি আমলে আদালতকে যেভাবে নিজেদের পকেটে রাখা হতো সেই অবস্থা এখন আর নেই। বিচার বিভাগ এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন।

জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের জন্য উত্থাপন করা হবে। আইনটি সংশোধন হলে জেলা জজের পাশাপাশি সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজরাও এই মামলাগুলোর বিচার করতে পারবেন।  এতে করে মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়বে।

মন্ত্রী বলেন, ‘একসেস টু জাসটিসকে বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে সরকারি কৌঁসুলিদের সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা পালন করে আদালতের মামলা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে হবে। প্রায়শ শোনা যায় কোনো কোনো জিপি-পিপি বিভিন্ন অজুহাতে আদালতে সময়ের দরখাস্ত দাখিল করে থাকেন যা মোটেই ঠিক না। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। আদালতে সঠিক সময়ে সাক্ষী হাজিরসহ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে সচেষ্ট হতে হবে। এক্ষেত্রে ঢিলেঢালা বা গড়িমসির মনোভাব কাম্য নয়। বিচার বিভাগকে আধুনিকায়ন করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা চান মন্ত্রী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইন সচিব মো. গোলাম সাওয়ার বলেন, বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার হিসেবে দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে হবে।  বর্তমানে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে নতুন নতুন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এ নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিচারকদের পাশাপাশি সরকারি আইন কর্মকর্তাদেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা