kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

ডিএমপি কমিশনারকে ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা

হকারদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২০:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হকারদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের উদ্যোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে হকারদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল ডিএমপি কমিশনারের সাথে বৈঠক করেছেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে মহানগরীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কয়েক হাজার হকার পল্টন-গুলিস্তান-মতিঝিল এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পৌঁছলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে অগ্রসর হতে গেলে কদম ফোয়ারার সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে হকারদের কথা কাটাকাটি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘঠে। পরে পুলিশি বাধার মুখে সেখানেই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হাশেম কবিরের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াৎ, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিমউদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসন হকারদের আর ফুটপাতে বসতে দিচ্ছে না। এই অবস্থায় হকারি পেশা ও তাদের জীবন ধারণের পথ অনিশ্চয়তার দিকে চলে যাচ্ছে। ঢাকা শহরে ৪ লক্ষ হকার বেকারে পরিণত হয়েছে। এই বেকার মানুষ তাদের পরিবারের সদস্য নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তাদের ছেলে মেয়েদের লেখা-পড়া বন্ধ হয়ে গেছে। 

তারা আরো বলেন, হকারি পেশা বন্ধ থাকায় অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। এই সুযোগে অশুভ মহল রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের সুযোগ পাচ্ছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষ যারা ফুটপাতের কেনাকাটার উপর নির্ভরশীল। এই অবস্থায় হকার পুনর্বাসনের ৫ বছর মেয়াদী মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা