kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

মানবতাবিরোধী অপরাধ

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কায়সারের আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৫:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কায়সারের আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজার বিরুদ্ধে সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের করা আপিলের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে আজ মঙ্গলবার। এ কারণে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আগামী বছর ১৪ জানুয়ারি রায় ঘোষণা দিন নির্ধারণ করেছেন।

সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দিন মানিক।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর এক রায়ে কায়সারকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন কায়সার। আপিলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চান তিনি। এ আপিলের ওপর গত ১০ জুলাই আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার শুনানি সমাপ্ত হওয়ায় রায়ের দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ।

কায়সারের বিরুদ্ধে গণহত্যার একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি এবং ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি অভিযোগ আনা হয়। ২০১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। কায়সারকে গণহত্যার একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি এবং ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে যেকোনো দিন রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়। এরপর ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রায় দেওয়া হয়।

রায়ে ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে ১৪টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এরমধ্যে সাতটি (৩, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২ ও ১৬ নম্বর) অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড, চারটি (১, ৯, ১৩ ও ১৪ নম্বর) অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড, একটি (২ নম্বর) অভিযোগে ১০ বছর, একটি (৭ নম্বর) অভিযোগে সাত বছর এবং একটি (১১ নম্বর) অভিযোগে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া দুটি (৪ ও ১৫ নম্বর) অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ দুটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

২০১৩ সালের ১৫ মে প্রসিকিউশনের আবেদনের ভিত্তিতে কায়সারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২১ মে বিকাল রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠায়। এরপর ওইবছরের ৫ আগস্ট শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়ে ঢাকায় ছেলের বাসায় ছিলেন কায়সার। তবে ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর সেদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে তিনি কারাবন্দী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা