kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ে রায় ৫ ডিসেম্বর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ১৮:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ে রায় ৫ ডিসেম্বর

কিডনি প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত বিষয়সহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনের কয়েকটি ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষনা করা হবে না তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের ওপর চুড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। বৃহষ্পতিবার শুনানিশেষে আদালত আগামী ৫ ডিসেম্বর রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন। এ রায়ের মধ্য দিয়ে নিকটাত্মীয় ছাড়াও অন্য কারো কাছ থেকে কিডনি নিয়ে তা প্রতিস্থাপন করা যাবে কিনা সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত জানা যাবে। এদিকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন করার ২০ বছর পর এই আইন কার্যকর করতে সরকার বিধিমালা জারি করেছে। গতবছর সেপ্টেম্বরে করা এই বিধিমালা বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সূত্র জানায়, ফাতেমা জোহরা নামের এক নারীর করা রিট আবেদনে ২০১৭ সালের ২৪ আগষ্ট হাইকোর্ট এক রুল জারি করেন। ফাতেমা জোহরা ২০১৫ সালে তার মেয়ে ফাহমিদাকে একটি কিডনি দান করেন। এরপর মেয়ের কিডনি অকেজো হয়ে গেছে। এ অবস্থায় কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য দাতা পেলেও তিনি আইনগত বাধার কারণে মেয়েকে আর কিডনি দিতে না পেরে রিট আবেদন করেন। এ সংক্রান্ত রুলের ওপর বৃহস্পতিবার চুড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যরিস্টার রাশনা ইমাম। আদালতে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন ও মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খালিদ সাইফুল্লাহ।

মানবদেহে কিডনি প্রতিস্থাপন নিয়ে হাইকোর্ট এক আদেশে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন-১৯৯৯ সালের তিনটি (২গ, ৩ ও ৬) ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষনা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এই রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের(বিএসএমএমইউ) প্রো-ভিসি ও বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির প্রতিবেদন গত ৭ নভেম্বর হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। একইসঙ্গে এদিন কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীর বক্তব্য শোনেন আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করা বিধিমালা দাখিল করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা