kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

'চোখের সামনে ৩০টা দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেল'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'চোখের সামনে ৩০টা দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেল'

রাজধানীর টিকাটুলির রাজধানী সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বহু ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৩০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যদিও আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট কাজ করছে।

আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় ধোঁয়ায় চারিদিক অন্ধকার হয়ে যায়। মার্কেটের ব্যবসায়ীদের তীব্র আর্তনাদে আকাশ বাতাস ভারি হয়ে ওঠে।

মার্কেটের কাপড়ের ব্যবসায়ী সাজেদা বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আগুনে আমার রুটি রুজি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার স্বামী বেঁচে নেই। দুই ছেলের পড়া লেখার খরচ এই দোকান থেকে বহন করতাম। আমার প্রায় ৪/৫ লাখ টাকার কাপড় ছিলো দোকানে। সব পুড়ে ছাই। আমি এখন কি খাবো? সংসার কিভাবে চালাবো।

সাজেদা বেগমের মতো অনেকেই বলছেন, তাদের রুজি রুটি সব পুড়ে ছাই। প্রথমে একটি, দুটি করে পুড়তে পুড়তে ৩০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে চোখের সামনে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে দোতলার একটি ইউনিটে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে আমরা ছুটোছুটি শুরু করি। মার্কেটের দোতলায় যে পাশে আগুন লেগেছে সেখানে বেডশিট, কাপড়, টেইলার্সের ৩০-৩৫টি দোকান ছিল। অল্প সময়ের মধ্যে মার্কেটের অন্য ইউনিটগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। 

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানায়, প্রাথমিকভাবে আগুনের সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট পাঠানো হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে আরো চাওয়া হলে যথাক্রমে আরো ৬, ২ ও ৩টি গাড়ি পাঠানো হয়৷ বর্তমানে মোট ২৫টি ইউনিট কাজ করছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর অভিসার সিনেমা হল সংলগ্ন রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ঘটনাস্থলের পাশে পুলিশ সদস্যরা রাস্তার মোড়ে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেন।

জানা গেছে, মার্কেটটি মূলত টিনশেডের। এখানে পোশাক, প্রসাধনী সামগ্রী, নিত্যপণ্য, জুয়েলারিসহ বিভিন্ন রকমের সামগ্রীর দোকান রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা