kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

আইইউবিএটি-তে নবান্ন উৎসব

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:১১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আইইউবিএটি-তে নবান্ন উৎসব

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সেস অনুষদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে নবান্ন উৎসব-১৪২৬ ।

আইইউবিএটির স্থায়ী ক্যাম্পাস উত্তরায় অগ্রহায়ণকে স্বাগত জানিয়ে বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবারও গান, কবিতা আর নৃত্যের তালে তালে তুলে ধরা হয় গ্রাম বাংলার আবহমান নবান্নের ঐতিহ্য। শুধু গানবাজনাই নয়, আগত ব্যক্তিদের নবান্নের আপ্যায়নও করা হয়েছিল শীতের ঐতিহ্যবাহী পিঠা আর মুড়ির মোয়া ও মুড়কি দিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিপুণ কাজে পুরো ক্যাম্পাস সেজে ছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহি বাহারি সাজে। উৎসবে আনন্দে মেতে ছিল আইইউবিএটির হাজারো শিক্ষার্থী।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে ‘নবান্ন; আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য’ বিষয়ের উপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।  আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- আইইউবিএটি’র উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড.হামিদা আখতার বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপিস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসন ও ফিনান্স শাখার পরিচালক মোঃ শাহ আলম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অধ্যাপক ড. মজিবুর রহমান খান। এছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক ড. এম এ হান্নান, অধ্যাপক ড.অনিল চন্দ্র বসাক, অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন, অধ্যাপক ড.জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য প্রদান করেন  ড. ফেরদৌস আহমেদ।

দিনব্যাপী উৎসবে নানা আয়োজনের মধ্যে ছিল প্রদর্শনী, পিঠা উৎসব, বিপণী প্রতিষ্ঠান - শাড়ি, গয়না ও খাবারের মেলা। বিকালে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য নিয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উপভোগ করেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন এবং আইইউবিএটির ট্রেজারার অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস।

কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, আইইউবিএটির শিক্ষার্থীরা যেভাবে নবান্ন উৎসব উদযাপন তা আমার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এত সুন্দর উদযাপন মনে হচ্ছে আমি আমার ছেলে বেলায় চলে এসেছি। 

আইইউবিএটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড.এম আলিমউল্যা মিয়ান এর উদারহণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা ভাগ্যবান এমন একজন মানুষের গড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার সুযোগ পেয়েছো। আমার সুযোগ থাকলে আমিও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে যেতাম। 

তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, তোমরাই আগামীর আলো, যেখানেই থাকো বেশি বেশি করে কোকারিকুলামের সাথে যুক্ত থাকবে।

আইইউবিএটির ট্রেজারার অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস বলেন, মূল শিক্ষার মতোই আমরা সহশিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। 

নবান্ন উৎসব-১৪২৬  সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আইইউবিএটির কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সেস অনুষদের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতেও আরো বড় করে আয়োজন করার আহবান জানান। সুনিপুন দক্ষতায় বাংলার সংস্কৃতি ঐতিহ্য তুলে ধরার কারনে কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সেস অনুষদের দশম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীকে এবারের নবান্ন – রাজকন্যা ঘোষণা করেন।

আইইউবিএটি নবান্ন উৎসবে প্রদর্শনী, পিঠা উৎসব, বিপণী প্রতিষ্ঠান মধ্যে থেকে প্রথম ৩টি স্টলকে পুরুস্কার দেওয়া হয়।  

নবান্ন উৎসবে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী , অ্যালামনাই ও আগত অতিথিবৃন্দ। নবান্ন উৎসব-১৪২৬  অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন- কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সেস অনুষদের  ভারপ্রাপ্ত ডিন ড.ফারজানা সুলতানা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা