kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

অভিজিৎ হত্যা মামলা : সাক্ষ্য দিলেন আরো দুজন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অভিজিৎ হত্যা মামলা : সাক্ষ্য দিলেন আরো দুজন

মুক্তমনা লেখক ও ব্লগার অভিজি রায় হত্যা মামলায় আরো দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ সোমবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন পুলিশ কনস্টাবল মো. নুরুল ইসলাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ টিএসসির পাশের পানি ব্যবসায়ী মো. সেলিম।

দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক মো. মজিবুর রহমান আগামী ২ ডিসেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মোট পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। গত ২৮ অক্টোবর অভিজিতের বাবা অজয় রায়ের সাক্ষ্যেও মধ্য দিয়ে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

টিএসসির পানি ব্যবসায়ী সেলিম তার সাক্ষ্যে বলেন, তিনি ঘটনার দিনও টিএসসি এলাকায় ছিলেন। রাজু ভাস্কর্যের পাশে লোকজনের সমাগম দেখতে পান। তিনি সেখানে দুটা চাপাতি ও একটি ব্যাগ, কিছু ওষুধ পড়েছিল। তিনি শোনেন যে এখানে একজনকে কুপিয়ে হত্যা কারা হয়েছে। যাকে হত্যা করা হয়েছে তিনি ব্লগার অভিজিত বলে তিনি জানতে পারেন।

গত ১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় দুই আসামি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) সামরিক শাখার প্রধান মেজর (চাকুরিচ্যুত) সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক জিয়া ও এবিটি সদস্য আকরাম হোসেন ওরফে আবির পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামিরা হলেন মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মুকুল রানা ওরফে শরিফুল ইসলাম ওরফে হাদী, আরাফাত রহমান ওরফে শফিউর রহমান ফারাবি। এরা সবাই এবিটির সদস্য। এই চারজন কারাগারে আছেন। রবিবার এদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

অভিজিৎ রায়কে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে বের হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ ঘটনায় অভিজিতের বাবা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অজয় রায় বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা