kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দেখতে বিদেশিরাও ছুটে আসবে

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দেখতে বিদেশিরাও ছুটে আসবে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সবুজে ঘেরা পরিবেশে নির্মাণ করা হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। যা দেখতে শুধু এশিয়া মহাদেশ থেকে না সারা বিশ্বের মানুষ দর্শনার্থী হয়ে আসবে।

আজ শনিবার বেলা ১২টায় কেরানীগঞ্জ উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমদি এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে কেরানীগঞ্জ বাসী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাইন এতোই উন্নত ও আধুনিক হবে যা দেখার জন্য বাংলাদেশে আসা যেকোনো বিদেশি দর্শনার্থীরাও ছুটে আসবে। আর এই প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে ১০ হাজার কোটি টাকা। ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে জমির অধিগ্রহণ ও সীমানা প্রাচীর এবং লেক নির্মাণসহ ছোটসংখ্যক কাজের ব্যয় হিসেবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল বলেই জমির মালিকের মনে যেন কোনো দুঃখ না থাকে সে জন্য প্রত্যেকে জমির বর্তমান মূল্যের চেয়ে ৩ গুণ বেশি টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন। আর এই টাকা যেন সঠিক ব্যক্তিরা পায় সেই দিকেও কঠোর নজর রাখতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কাজ করা হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্দিকে লেক, মাঠ, গাছপালায় ভরা থাকবে এবং ট্রাম থাকবে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে এক হল থেকে অন্য হলে যেতে পারে। বিশ্ববিদ্যারয়ের জন্য এ এলাকার রাস্তার প্রসস্থ হবে ৮০ ফিট, নদীর পাড়ে জেটি থাকবে ঘাট থাকবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

তিনি বলেন, সর্বপ্রথম আমি আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস তৈরিতে আপনারা যারা আপনাদের পৈতৃক জমি দিয়ে এই মহান কাজে সহযোগিতা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস তৈরি করতে যারা জমি দিয়েছেন আমি মনে করি তারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ননি, তারা উল্টো লাভবান হয়েছেন। কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয় হবে একটি আন্তর্জাতিক মানের সুদর্শন স্থান, এখানকার স্থানীয় ছেলেমমেয়েরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য অনেক সহজেই আসা যাওয়া করতে পারবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শাহীন আহমেদ, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা