kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের নামে নকল প্রসাধনী

বংশালে চার কারখানায় অভিযান, ৪০ লাখ টাকার পণ্য ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বংশালে চার কারখানায় অভিযান, ৪০ লাখ টাকার পণ্য ধ্বংস

প্রতিষ্ঠিত নামি দামি ব্র্যান্ডের নামে বিভিন্ন প্রসাধনী বাজারে ছাড়ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। যার কারণে সাধারণ মানুষ একদিকে যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আবার অনেকেই বিভিন্ন ধরণের স্কিনের রোগে ভুগছে। এমনি কিছু কারখানায় অভিযান চালিয়েছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বংশাল এলাকার মালিটোলায় দুটি এবং সমশের লেন ও ৬ নম্বর ক্যাপি স্ট্রিট লেনের দুটি কারখানায় র‍্যাব-৩ ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করে।

জানা যায়, বাংলাদেশে যে সকল ব্র্যান্ডের কসমেটিক্স চলে সে ধরণের প্রায় সব কসমেটিক্স পণ্য তারা বানিয়ে গ্রাহকদের ঠকাচ্ছিলো। এর মধ্যে শ্যাম্পু, জেল, জিলেটের বিভিন্ন পণ্য, বিভিন্ন ক্রিম, ফন্টস লোশন, ডাব শ্যাম্পু, সানসিল্কসহ বিভিন্ন প্রসাধনী তারা নকল করতো। প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো নামও নেই। এমন চারটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ টন প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। এরা অন্য কম্পানির পণ্য নকল বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। নিজস্ব অনুমোদন, ব্র্যান্ড কিছুই নাই। বলা যায় নামহীন।

র‍্যাব জানায়, ৪টির মধ্যে একটি কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা এবং অন্য একটিকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দুটি কারখানার মালিক পাওয়া যায়নি। কিন্তু মালামাল পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বংশাল থানায় নিয়মিত আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৪ টনের মতো পাওয়া নকল পণ্য যাত্রাবাড়ী এলাকায় মাতুয়াইল সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে ধ্বংস করা হয়েছে।

এ বিষয়ে র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামান বলেন, বংশাল এলাকার কারখানাগুলোতে সম্পূর্ণ ভেজাল প্রসাধনী বানিয়ে বাজারে ছাড়া হচ্ছিলো। তারা বিভিন্ন নামি দামি ব্যান্ডের পণ্য নকল করে গ্রাহকদের ঠকিয়ে আসছে। আমরা ৪টি কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল নকল পণ্য জব্দ করেছি। সেই সঙ্গে দুটি কারখানাকে জরিমানা করা হয়েছে। দুটি কারখানার মালিককে না পাওয়ায় নিয়মিত আইনে মামলা করা হয়েছে।

মগবাজার র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এইসব কারখানার কোনো নিজস্ব অনুমোদন নেই। অন্য কম্পানির নামে বিভিন্ন প্রসাধনী পণ্য বাজারে ছাড়ছে। যেগুলো সাধারণ মানুষের অর্থের ক্ষতির পাশাপাশি অসুস্থতার কারণ হতে পারে। জব্দকৃত নকল পণ্যগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা