kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

রাজনীতি হচ্ছে মানুষের কল্যাণে কাজ করার অন্যতম মাধ্যম : ড. হাছান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজনীতি হচ্ছে মানুষের কল্যাণে কাজ করার অন্যতম মাধ্যম : ড. হাছান

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাজনীতি কোনো পেশা নয়, এটি একটি ব্রত। তিনি বলেন, রাজনীতি হচ্ছে মানুষের কল্যাণে কাজ করার অন্যতম মাধ্যম।

তথ্যমন্ত্রী বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শিলক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আবু তাহের মেম্বারসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতাদের স্মরণে আয়োজিত এক শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

শিলক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শিলক বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নূর নবী সওদাগর।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ আরো বলেন, এ দলটি পরপর তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায়। তাই অনেক নেতার মধ্যে আলস্য চলে এসেছে। অনেকে মনে করছে দিন সব সময় এ রকম যাবে। দল এক সময় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমরা দীর্ঘ ২১ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলাম না। কিন্তু দল ছিল শক্তিশালী।

অনেকে মনে করতো আওয়ামী লীগ আর ক্ষমতায় আসবে না উল্লেখ করে হাছান বলেন, তাদের সেই দম্ভ ও চিন্তাকে পরাভূত ও ভুলুন্ঠিত করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে।

শিলক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আহমেদ মাস্টারের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাদেকুন নূর সিকদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বজন কুমার তালুকদার, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ আলী শাহ, সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার আসলাম খাঁন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মান্নান চৌধুরী, প্রয়াত আবু তাহেরের সন্তান মো. শাকিল বক্তৃতা করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন দল ক্ষমতায় এসেছে। আর ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

‘আওয়ামী লীগের জন্মই যেন বাংলাদেশের হারানো স্বাধীনতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন অনেক দূর এগিয়েছে। মানুষের দিন বদল হয়েছে, দেশ বদলে গেছে। কবির কবিতার সেই কুঁড়েঘর এখন আর বাস্তবে পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মানুষের চোখের ও মুখের ভাষা ওই মানুষের মুখ দেখলে বুঝতে পারতেন। ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও মানুষের চোখ দেখলে বুঝতে পারেন মানুষ কি চায়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বিরোধী দলীয় নেত্রী ছিলেন, তখন তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংগঠনিক কাজে যেতেন। ওই সময়ে যদি দেখা যেতো একজন ভিক্ষুক হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, তখন তিনি তাকে সন্তুষ্ট করে তারপর গন্তব্যে যেতেন।

ড. হাছান বলেন, আমরা নেত্রীর কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করি। অনেকে আমাকেও ঘিরে রাখেন, ঢুকতে পারেন না। আমিও চেষ্টা করি সে ঘেরার ভেতর যারা ঢুকতে পারে না তাদের কথা শুনার। আমি জানি এদের খুব বেশি চাওয়া পাওয়া নেই, এরা কথা বলতে পারলেই খুশি। খুব সামান্য তাদের চাওয়া। আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা আবু তাহের তেমনি একজন নেতা ছিলেন। যিনি মানুষের সাথে থাকতেন সবসময়। মানুষের কাজে ছুটে যেতেন সবসময়। তিনি তাঁর কর্মে আজীবন মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা