kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শ্রমিক আন্দোলন এনজিওদের হাতে : মেনন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্রমিক আন্দোলন এনজিওদের হাতে : মেনন

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, শ্রমিক আন্দোলন শ্রমিকদের হাতে নেই। চলে গেছে এনজিওদের হাতে। শ্রমিক আন্দোলন, শ্রমিক সমাবেশ দেখিয়ে টাকা পাওয়া যায়। অথচ বাশার ভাই শ্রমিক আন্দোলন করে গেছেন, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য, শ্রমজীবি মানুষের মুক্তির জন্য। বাশার ভাই ছিলেন তাদের পুরোধা।

আজ শুক্রবার রাজধানীর শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা কমরেড আবুল বাশারের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর কমিটি সভাপতি আবুল হোসাইন। বক্তৃতা করেন জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম খান, আবুল বাশারের জামাতা, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য শরীফ শামশির, ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়, মহানগর সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ফজলু প্রমুখ।

সভায় রাশেদ খান মেনন বলেন, আবুল বাশার শুধুমাত্র শ্রমিক নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ’৭১-এ রণাঙ্গণে তিনি যুদ্ধ করেছেন। তিনি এদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনেও অবদান রেখে গেছেন। তিনি আরো বলেন, তিনি কারখানায় কাজ করেছেন। কাজের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে লড়াই করে সামনের কাতারে চলে এসেছেন এবং লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন।

সভায় নেতারা বলেন, বাশার ভাইদের সময় শ্রমিক নেতারা ছিলেন নির্লোভ, নির্মোহ আর কোনো লোভ-লালসা বাশার ভাইদেরকে শ্রমিক আন্দোলন থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। বাশার ভাইদের মতো শ্রমিক নেতা মাঠে নামলে হাজার হাজার শ্রমিক মাঠে নামতেন। বর্তমান সময়ে এনজিওরা তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মাঠে নামে। নেতারা তাদের কথা মতো আন্দোলনের গতি বাড়ায়, গতি কমায়।

সভার শুরুতে সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরি সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈন উদ্দীন খান বাদল ও সাবেক মন্ত্রী অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকার প্রতি গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা