kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ে উৎসে কর কমলো

১ শতাংশ থেকে কমে হলো শুণ্য দশমিক ২৫ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ে উৎসে কর কমলো

পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ের উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে শুণ্য দশমিক ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। পোশাক মালিকদের দাবির প্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, এনবিআর উেস কর কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এ উদ্যোগকে তৈরী পোশাকখাতের ব্যবসায়ীর স্বাগত জানিয়েছে।

গেলো ৬ অক্টোবর তৈরী পোশাকখাতে রপ্তানি আয়ের উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাবটি এনবিআর থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণায়ে পাঠানো হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে গতকাল প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ সুবিধা ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

চলতি অর্থ বছরের বাজেটে তৈরী পোশাকখাতের  উৎসে কর ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। বাজেট প্রস্তাব পেশের পর থেকেই সংশ্লিষ্টখাতের ব্যবসায়ীরা এ হার কমনোর দাবি জানিয়ে আসছিল।
এ হার কমানোর যুক্তি তুলে ধরে এনবিআরে ব্যবসায়ীদের করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়,  তৈরী পোশাকখাতে উৎসে কর বেশি হওয়ায় মোট উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গিয়েছে। এতে আর্ন্তজাতিক বাজারে এদেশের তৈরী পোশাকখাতের ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। তাই এ কর কমানো উচিৎ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক উর্দ্ধতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ কমানো হলে বড় অংকের রাজস্ব কম আদায় হয়। রাজস্ব আদায় বাড়াতে এ হার ১ শতাংশ ধার্য করা হয়। তবে ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, আর্ন্তজাতিক বাজারে এদেশের পোশাকখাতের সক্ষমতা বাড়াতে উৎসে কর কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত এ দাবী বিবেচনা করা হয়েছে।

তৈরী পোশাকখাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ উর্দ্ধতন সহ সভাপতি ফয়সাল সামাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উৎসে কর কমানোয় তৈরী পোশাকখাতের ব্যবসা গতিশীল হবে। তবে এ সরকারের এ সিদ্ধান্ত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া প্রয়োজন ২১ অক্টোবর থেকে নয়।’

বাংলাদেশ রপ্তানিকারক সমিতির (ইএবি) উর্দ্ধতন সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তৈরী পোশাকখাতের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর জন্যই উৎসে কর কমানোর দাবি করা হয়। কমানোর ফলে শিল্পের প্রসার ঘটবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা