kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্লট বরাদ্দে অনিয়মে আব্বাসের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ১৩:৪২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্লট বরাদ্দে অনিয়মে আব্বাসের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত

প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে করা দুদকের মামলার কার্যক্রম চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

আজ সোমবার (২১ অক্টোবর) মির্জা আব্বাসের এক আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

খুরশীদ আলম খান বলেন, মামলা বাতিলে মির্জা আব্বাসের আবেদন খারিজ করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে তিনি আবেদন করেন। সোমবার সে আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন। এখন আর এ মামলার কার্যক্রম চলবে না।

গত ১৩ মে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দ নিয়ে করা দুর্নীতির মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলার কার‌্যক্রমের ওপর থাকা স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করেন।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী থাকাবস্থায় মিরপুরে সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯ শত টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (ভুমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) আজহারুল হক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ক্যাশিয়ার মো. মনসুর আলম ও হিসাব সহকারি মতিয়ার রহমানকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে এ মামলায় ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় দুদক।

অভিযোগপত্রে মির্জা আব্বাস ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা বিজন কান্তি সরকারকে আসামি করা হয়। তবে আজহারুল হককে বাদ দেওয়া হয়। এরপর ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মির্জা আব্বাস। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলায় ওই বছর ৯ মার্চ হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আবেদন করলে আপিল বিভাগ একইবছরের ৩১ মার্চ জামিন বহাল রাখেন।

এরপর একই বছরের ৩ এপ্রিল মির্জা আব্বাস কারাগারে থেকে মুক্তি পান। এ মামলায় ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এরপর মামলাটি বাতিল চেয়ে মির্জা আব্বাস একই বছরের ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন। হাইকোর্ট একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা