kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে মা নিজ হাতেই মেয়ের গলায় ছুরি চালায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে মা নিজ হাতেই মেয়ের গলায় ছুরি চালায়

পরকীয়া প্রেমের জেরে প্রেমিককে সাথে নিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে মা হাছিনা বেগম নিজ হাতেই হত্যা করেছে তার চার বছর বয়সী শিশু কন্যা বিবি ফাতেমাকে। প্রথমে চার বছর বয়সী শিশুকন্যাকে হাত-পা ধরে রাখে প্রেমিক মাইন উদ্দিন। তারপর কন্যার গলায় এবং পেটে ছুরি চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন তিনি। এরপর স্বামী আবু তাহের বাসায় প্রবেশ করলে প্রথমে দুজন মিলে তাকে ঝাপটে ধরে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন। এরপর এক পর্যায়ে গলায় ও পেটে ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন দুজন। 

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে হাছিনা বেগম জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার প্রেমিক মাইন উদ্দিনকে সাথে নিয়ে স্বামী আবু তাহের এবং কন্যা বিবি ফাতেমাকে হত্যা করেছেন তিনি। ঘটনার পর মাইন উদ্দিন পালিয়ে নোয়াখালী চলে যায়। পরে পুলিশ হাছিনার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালীর সুবর্নচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাইন উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।

আজ রবিবার দুপুরে নগরীর দামপাড়াস্থ নগর পুলিশের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার জানান, বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে বুয়ার কাজ করতেন হাছিনা (৩০) এবং স্বামী আবু তাহের (৩৮) ছিলেন গুদাম শ্রমিক। স্বামীর কর্মস্থল গুদাম শ্রমিকদের নেতা মাইন উদ্দিনের সাথে পরকীয় সম্পর্ক গড়ে উঠে আবু তাহেরের স্ত্রী হাছিনার। আর এই ঘটনা জেনে যাওয়ায় হাছিনার সহায়তায় খুন হয়েছেন আবু তাহের এবং তার ৪ বছর বয়সী শিশু কন্যা বিবি ফাতেমা। পরে পুলিশ হাছিনার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালীর সুবর্নচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাইন উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। একই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে হাছিনা বেগমকেও।

শনিবার দুপুরে নগরীর বন্দর থানা পুলিশ নিমতল এলাকার বুচুইক্যা কলোনীর তিন তলা একটি ভবনের নিচ তলার বাসা থেকে বাবা ও মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা