kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:২৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর যৌথভাবে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের বিরুদ্ধে। এতে ছাত্রদলের পাঁচ কর্মী আহত হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। বুলবুল ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি।

আহতরা হলেন মামুন খান, শাহজাহান শাওন, মাহফুজ চৌধুরী, হাসান তারেক ও নূর আলম ইমন। তাঁদের মধ্যে মামুন খান নামের একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ রবিবার (২০ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রদল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত ক্যাফেটেরিয়া ও কমনরুমবিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কানেতা ইয়া লাম লাম দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে বলেন, বেলা ১১টার দিকে ঢাবির সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সংবাদ সম্মেলন শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁদের বের হওয়ার সময় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাঁদের ধাওয়া করে ক্যাম্পাস-ছাড়া করেন। এর আধা ঘণ্টা পর ছাত্রদলের একটি অংশ মধুর ক্যান্টিনে আসলে হামলার ঘটনা ঘটে। 

অভিযোগে আরও বলা হয়, মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের কর্মীরা চেয়ার-টেবিল না পেয়ে ফ্লোরে বসে ছিলেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ'র কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় ছাত্রদলের পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।’

কানেতা বলেন, এ হামলার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে দুপুর ১২টার দিকে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদলকে ঢাবি ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতারা। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ফেসবুক আইডি থেকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে এমন অভিযোগ আনা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

তিনি বলেন, 'আমাকে ও ডাকসুতে ছাত্রদলের হয়ে শামসুন নাহার হলের ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মানসুরা আলমকে ছাত্রলীগ নেতারা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।'

কানেতা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ঢাবি শাখার সভাপতি আল সনেটের নেতৃত্বে প্রথমে হামলা চালানো হয়। এরপর তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়ে হামলা চালায় ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য কালের কণ্ঠকে বলেন, ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগ হামলা করেনি। হামলা করেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কয়েকজন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা