kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শুভসংঘের সভা

আরো বিস্তৃত পরিসরে শুভ কাজে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৮:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আরো বিস্তৃত পরিসরে শুভ কাজে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার

ছবি : লুৎফর রহমান

বাল্য বিয়ে বন্ধ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার খরচের সংস্থান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বির্তক অনুষ্ঠান আয়োজন এবং জাতীয় নানা ইস্যুতে বিভিন্ন ধরণের শুভ কাজ করে যাচ্ছে শুভসংঘ। ভবিষ্যতে আরো বিস্তৃত পরিসরে কাজ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন শুভসংঘের সদস্যরা। আজ শনিবার ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের (ইডাব্লিউএমজিএল) সম্মেলন কক্ষে শুভ সংঘের ২০টি শাখার শতাধিক সদস্য এক সভায় মিলিত হয়ে এসব অঙ্গীকার করেছেন।  

‘শুভ কাজে সবার পাশে’ এই শ্লোগানে কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় শুভসংঘের। সংবাদপত্রটির পাঠক সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বৃহৎ সামাজিক সংগঠন হিসেবে দেশব্যাপী অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে শুভসংঘ। সারাদেশে ১৬৭টি শাখায় সাড়ে চার লাখের বেশি সদস্য রয়েছে সংগঠনটির। কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়াও বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলোতে কাজ পরিচালনা করছে শুভ সংঘ। শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামানের সঞ্চালনায় আজ সংগঠনটির ২০টি শাখার শাতাধিক সদস্য মিলিত হয়েছিলেন কালের কণ্ঠ সম্পাদকের সঙ্গে।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু মানবিক গুন সম্পন্ন মানুষের এখনো যথেষ্ট অভাব রয়েছে। যার দৃষ্টান্ত সম্প্রতি বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে গিয়ে নিজের সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যাও প্রমাণ করে মানবিকতার অভাব। শুভসংঘ মূলত মানুষকে মানুষ হয়ে উঠতে উৎসাহিত করে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বাইরেও জাতীয় ইস্যুতে সরব ভূমিকা পালন করে শুভসংঘ। ব্যভিচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদি ভূমিকাও পালন করে সংগঠনটির সদস্যরা। জনহিতকর কাজ বৃদ্ধির মাধ্যমে শুভসংঘের কাজ আরো বিস্তৃত করতে চায় শুভসংঘের সদস্যরা। 

কালের কণ্ঠ সম্পাদক এবং ইডাব্লিউএমজিএলের পরিচালক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, শুভসংঘের সদস্যদের কাছে থাকলে নিজেকে অনেক বেশি তরুণ মনে হয়। আমি সবাইকে বলি, মানবিক গুণ সম্পন্ন মানুষ হয়ে উঠতে। একটি সমাজকে পরিবর্তন করতে খুব বেশি মানুষের প্রয়োজন হয় না। তোমরা উদ্যোগ গ্রহণ করো, তোমাদের পাশে আমি এবং কালের কণ্ঠ সব সময় আছে।

শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম বলেন, শুভসংঘ কি দিয়েছে সে চিন্তা আমরা করি না। আমরা শুভসংঘকে কি দিয়েছি সেটা নিয়ে সব সময় ভাবি আমরা। 

শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামীম আল মামুন বলেন, উদ্দেশ্যের দিক থেকে শুভসংঘ অন্য যেকোন সংগঠন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এটি এখন আর কোন পাঠক সংগঠন নয়, বৃহৎ সামাজিক সংগঠন।

সংগঠনটির সহ-সভাপতি নিয়ামুল কবীর সজল বলেন, কোন অর্থ ছাড়াই সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করার নজির শুভসংঘের রয়েছে। কিছুদিন আগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির সময় আমি নিজেই লিফলেট ও মাইক নিয়ে রাস্তায় নেমে যাই।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, আশা ইউনির্ভাসিটি, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, গণ বিশ্ববিদ্যালয়, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, উত্তরা মাইলস্টোন কলেজ, শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ শাখার শুভসংঘের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মিরপুর, উত্তরা, ময়মনসিংহ জেলা, গাজিপুর জেলা, ফুলবাড়িয়া ও ত্রিশাল উপজেলা, ধামরাই উপজেলা, সোনারগাঁও উপজেলা এবং তেতুলিয়া উপজেলা শাখার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা