kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

প্রশাসনে অতিরিক্ত সংখ্যক অতিরিক্ত সচিব, তবুও চলছে পদোন্নতি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রশাসনে অতিরিক্ত সংখ্যক অতিরিক্ত সচিব, তবুও চলছে পদোন্নতি

প্রশাসনের তিনটি পদে এখন আর চাহিদা না থাকলেও অব্যাহত রয়েছে পদোন্নতির ধারা। ফলে এ পদগুলোতে অতিরিক্ত সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। এ তিনটি পদ হলো উপসচিব, যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ অতিরিক্ত সচিব পদে আছেন চার গুণ। তার পরও এই পদে নতুন পদোন্নতির প্রক্রিয়া চলছে। নতুন পদোন্নতি প্রক্রিয়া শেষ হলে এই পদে কর্মকর্তার সংখ্যা বেড়ে হবে ছয় থেকে সাত গুণ। এতে করে প্রশাসন আরো ভারসাম্যহীনতার দিকে যাচ্ছে।

জনপ্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত সচিব পদটি মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে কম প্রয়োজনীয় পদ। মন্ত্রণালয় বা বিভাগ পরিচালনার যে প্রক্রিয়া তা প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে সচিব এবং অনুবিভাগ প্রধান হিসেবে যুগ্ম সচিবদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। বিশেষ কোনো মন্ত্রণালয় বা বড় কাজের চাপ বা গুরুত্বের জন্য সচিবকে সহযোগিতা করতে একজন অতিরিক্ত সচিব প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন এমনও মন্ত্রণালয়-বিভাগ আছে যেখানে একজনের জায়গায় আট থেকে ৯ জন অতিরিক্ত সচিব আছেন। যেমন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এখন অতিরিক্ত সচিবের সংখ্যা আট, জনপ্রশাসনে ৯।

অতিরিক্ত সচিব বেশি হওয়ার কারণে যুগ্ম সচিবদের জায়গায় সব অনুবিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত সচিবরা। যুগ্ম সচিবরা ইনসিটু (পদোন্নতি পেলেও আগের পদে) থেকে করছেন উপসচিবের কাজ। এমনও অনুবিভাগ আছে যেখানে দুজন করে অতিরিক্ত সচিব কাজ করছেন, যা প্রশাসনের চরম ভারসাম্যহীনতার বহিঃপ্রকাশ।

প্রশাসনের ক্যাডারের বাইরে অন্য খাতগুলোতে এক পদে ৮-১০ বছর পর্যন্ত পদোন্নতির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু প্রশাসন ক্যাডারে পদ ছাড়াই পদোন্নতি পেয়ে ওপরে উঠে যান কর্মচারীরা। অন্য খাতসংশ্লিষ্টরা একে বৈষম্য বলে অভিহিত করলেও কোনো সরকারই তা নিরসনে উদ্যোগ নেয়নি।

প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত সচিব পদে বেশি লোকবল থাকার বিষয়টি স্বীকার করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অভিজ্ঞতার কারণে সিনিয়রদের পদোন্নতি দেওয়া হয়। তবে ক্যারিয়ার প্ল্যানিং চূড়ান্ত হলে এমনটা আর থাকবে না।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা