kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

উপাচার্য অপসারণ দাবির প্রতিবাদে

জাবিতে উপাচার্যপন্থীদের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাবিতে উপাচার্যপন্থীদের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামকে অপসারণের আন্দোলনকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে পূর্বঘোষিত তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনকে প্রতিহত করতে সদ্য গঠিত সংগঠন ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং উন্নয়নের পক্ষে জাহাঙ্গীরনগর’ এর ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে বিভিন্ন বিভাগের প্রায় দেড় শতাধিক উপাচার্যপন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় তারা উপাচার্য বিরোধী চলমান আন্দোলনকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অযৌক্তি’ দাবি করে বলেন, ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে আজকের এই আলোর মিছিল। আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে অতীতেও ভিসি পরিবর্তনের আন্দোলন হয়েছে। যারা শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে আন্দোলন করে তারা অন্ধকারের শক্তি। আমরা অন্ধকারের শক্তিকে আলোর শক্তি দিয়ে প্রতিহিত করবো। বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এটি একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়।

তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিন আগামী ২২ অক্টোবর ‘চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও ষড়যন্ত্রকারীদের’ বিচার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে প্রায় দুই মাস যাবৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি, বাম ও আওয়ামীপন্থী (একাংশ) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করছে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। নির্মিতব্য তিনটি হলে স্থান পুনর্বিবেচনাসহ দুটি দাবি মেনে নিলেও ‘দুর্নীতি’র অভিযোগের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি মানছেন না উপাচার্য। এ কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে তার পদত্যাগ দাবি করে আসছিলেন আন্দোলনকারীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা