kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আবরার হত্যাকাণ্ড

ফের রিমান্ডে অমিত-তানভীর, কারাগারে তোহা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:২৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফের রিমান্ডে অমিত-তানভীর, কারাগারে তোহা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ। ফাইল ছবি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অমিত সাহা ও তাবাখখারুল ইসলাম তানভীরকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তার রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন। একই মামলায় গ্রেপ্তার তোহাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ বুয়েটের ছাত্র ও ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অমিত সাহা ও ছাত্রলীগের সদস্য তানভীরকে আদালতে হাজির করা হয়।  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। মহানগর হাকিম আবু সাঈদ শুনানি শেষে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অমিত সাহাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে শেষে বিকেলে আদালতে হাজির করে আবারো সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। অন্যদিকে তানভীরকে কারাগার থেকে দুপুরের আগে আদালতে হাজির করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, অমিত ও তানভীর হত্যাকান্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বলে সাক্ষ্যপ্রমাণে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও তাদের নাম এসেছে। তাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করা প্রয়োজন।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর অমিতকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। আজ তাকে রিমান্ডে দ্বিতীয়বারের জন্য নেওয়া হলো। অন্যদিকে  গত ৮ অক্টোবর তাঁকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে গত ১৩ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ১৫ অক্টোবর আবার তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে আদালত আজ শুনানির দিন ধার্য করেন।

কারাগারে তোহা:

এদিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তোহাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। তাকেও গত ১১ অক্টোবর পাঁচ দিনের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারনামীয় ১৯ আসামির মধ্যে ১৬ জন এবং আরো পাঁচজন মোট ২১ জনকে গতকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিনসহ ছয় জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি তদন্ত করছেন ডিবির পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা