kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ডিবিতে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ

এখন পর্যন্ত কঠিন জেরার মুখে পড়েননি সম্রাট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এখন পর্যন্ত কঠিন জেরার মুখে পড়েননি সম্রাট

যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও তাঁর সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সম্রাট অসুস্থ বলে দাবি করায় একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাঁকে রাখা হয়েছে। গতকাল বুধবার রিমান্ডের প্রথম দিন কঠিন কোনো জেরার মুখে তাঁকে পড়তে হয়নি বলে জানিয়েছে সূত্র। মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকেও রিমান্ডের প্রথম দিন মাদক কারবারের বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অবৈধ মাদক ও অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেছেন।

সূত্র জানায়, রিমান্ডে নেওয়ার পর বুকে ব্যথাসহ শারীরিক অবস্থা অনেক খারাপ বলে দাবি করেন সম্রাট। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একজন চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছে ডিবি। গতকালও তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের নেতা হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে অনেক ডিবি অফিসার সম্রাটের ব্যক্তিগত পরিচিত। তাঁদের অনেকে সম্রাটের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। ফলে গতকাল পর্যন্ত কঠিন কোনো জেরার মুখে পড়েননি সম্রাট।

একটি সূত্র বলছে, অসুস্থ হওয়ার কারণে তাঁকে রোগীর যত্নে রাখা হয়েছে। আরেকটি সূত্র বলছে, ডিবির কর্মকর্তাদের কাছে তথ্য ছিল, মামলার তদন্ত র‌্যাবে চলে যাবে। তাই তারা সম্রাটের মামলার তদন্ত এবং জিজ্ঞাসাবাদে সময় নষ্ট করেনি। সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত নিয়ে কোনো বক্তব্যও দেননি ডিবির কেউ। এদিকে সম্রাটের সঙ্গে থাকার কারণে আরমানও অনেকটা হালকা জিজ্ঞাসাবাদে প্রথম দিন পার করেছেন। গতকাল মিন্টো রোডে ডিবির কার্যালয়ের সামনে সম্রাটের বেশ কিছু সহযোগীকে ভিড় করতে দেখা গেছে।

গত মঙ্গলবার ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত দুই মামলায় সম্রাটের পাঁচ দিন করে ১০ দিন এবং আরমানের এক মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন বিকেলেই দুজনকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

এদিকে সম্রাট ও আরমানের বিরুদ্ধে রমনা থানায় দায়ের করা মামলা দুটির তদন্তভার গতকাল ডিবির কাছ থেকে র‌্যাবে হস্তান্তরের আদেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এখন র‌্যাব আদালতের অনুমতি নিয়ে দুই আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সম্রাটের দুটি মামলার তদন্তভার আমরা পেয়েছি। বৃহস্পতিবার (আজ) আমরা আদালতে আবেদন করব আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য। আগের মামলাগুলোর মতোই এ মামলার তদন্ত চলবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা