kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

চাচাতো বোন হত্যায় স্বীকারোক্তি আদালতে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাচাতো বোন হত্যায় স্বীকারোক্তি আদালতে

আসামি আলমগীর

চুনারুঘাট উপজেলায় দুধপাতিল গ্রামের তামান্না আক্তার পিয়া (১৫) হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। চাচাতো ভাই আলমগীর মিয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হলে তিনি বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ধর্ষণের ফলে গর্ভবতী হয়ে পড়ায় পিয়াকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে আলমগীর জানান।

সূত্র জানায়, বুধবার রাতে বাহুবল উপজেলার চন্ডপুর মাজারের পাশ থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে পিয়া হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন আলমগীরকে। পিয়া হত্যার পর তিনি শ্বশুরবাড়িতে আত্মগোপন করেছিলেন। চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ টিম তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালায়।  আলমগীর গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে হত্যার বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে স্বীকারোক্তি দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে হাজির করা হয় তাকে। হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে প্রায় সাড়ে তিনঘন্টাব্যাপী স্বীকারোক্তি দেন আলমগীর। ম্যাজিস্ট্রেট ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল জানান, আলমগীর মিয়া দুধপাতিল গ্রামের আব্দুল হাশিমের ছেলে। পিয়া ও আলমগীর সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন। আলমগীর প্রেম ও বিয়ের কথা বলে পিয়াকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পিয়া তিন মাসের অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়লে সম্প্রতি বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন। এ অবস্থায় বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক আলমগীর ৭ অক্টোবর পিয়াকে ডেকে নেন পাশের গ্রামে আকাশী বাগানে। বিয়ে করতে অপারগতা জানালে তাদের মধ্যে তর্ক হয়। এর এক পর্যায়ে আলমগীর পিয়ার গলায় ওড়না জড়িয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

পরদিন বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে আকাশী বাগান থেকে পিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পিয়ার বাবা আব্দুল হান্নান এ ঘটনায় চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজহার বলেন, 'আসামি আলমগীর একাই পিয়াকে হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এখন দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করা যাবে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা