kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

বন্ড দুর্নীতি : গ্রেপ্তার দুই আসামি কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্ড দুর্নীতি : গ্রেপ্তার দুই আসামি কারাগারে

রাজধানীর ইসলামপুর এলাকার বন্ড চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে ঢাকার কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের করা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

দুই আসামি হচ্ছেন মো. মোরছালিন ও সাজ্জাদ। কাস্টমস কর্মকর্তাদের সহায়তায় কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মওদুদ হাওলাদারের নেতৃত্বে একটি টিম গত সোমবার সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। গত মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে তাদের একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। আজ দুপুরের পর আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার প্রার্থনা করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তাদের পক্ষে কোনো জামিনের আবেদন না থাকায় মহানগর হাকিম মিল্লাত হোসেন  কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দীর্ঘদিন ধরে পুরান ঢাকার ইসলামপুরের বিভিন্ন মার্কেটে বন্ডেড চোরাই ফেব্রিক্সের অবৈধ বেচাকেনা করার অভিযোগ ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার নির্দেশে একটি বহুমাত্রিক অভিযানের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ও কমিশনার হুমায়ূন কবীরের নির্দেশনায় ঢাকার কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের একাধিক প্রিভেন্টিভ টিম গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা পর্যন্ত ইসলামপুরের আল-ইসলাম কমপ্লেক্স ও শুভরাজ টাওয়ারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

ঢাকার কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের উপকমিশনার রেজভী আহম্মেদ, ফখরুল আমিন চৌধুরী, সহকারী কমিশনার মো. আল আমিন, শরীফ মোহাম্মদ ফয়সাল এবং আকতার হোসেনের সম্মিলিত নেতৃত্বে ১০০ জন কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযানে অংশ নেন। এ সময় বিভিন্ন গোপন গুদাম থেকে ১০৯ টন বন্ডেড চোরাই ফেব্রিক্সক আটক করা হয়। এসব পণ্য বিভিন্ন বন্ড সুবিধাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান আমদানি করে উৎপাদনে ব্যবহার না করে অবৈধভাবে চোরাই মার্কেটে বিক্রয় করে দেয়। অভিযানে সিআইডি, ডিএমপি সদর দপ্তর এবং স্থানীয় থানা-পুলিশ সহায়তা করে।

এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুছ কলি বাদী হয়ে এসব অবৈধ পণ্যের আমদানি, সরবরাহ, মজুদ, বিক্রয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দি কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এবং বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুসারে কোতোয়ালি থানায় ২৯ সেপ্টেম্বর একটি মামলা করেন। এ মামলাতেই ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা