kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

আবরার হলে আছে কিনা, জানতে চেয়েছিলেন অমিত সাহা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবরার হলে আছে কিনা, জানতে চেয়েছিলেন অমিত সাহা

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার আগে তিনি হলে আছেন কিনা সে বিষয়ে প্রথম খোঁজ নিয়েছিলেন অমিত সাহা। সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল এক স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অমিত সাহা আবরারের এক বন্ধুকে ইংরেজি অক্ষরে 'আবরার ফাহাদ হলে আছে কিনা' মেসেজ দেন। মেসেজের এক ঘণ্টার মধ্যেই শেরে বাংলা হলের ছাত্রলীগ নেতারা আবরারের ১০১১ নম্বর কক্ষে পাঠিয়ে তাকে ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। এরপর তাঁকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগের কালিবাড়ি থেকে সকাল ১১টায় গ্রেপ্তার করা হয় অমিতকে। অমিত ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার আইনবিষয়ক উপসম্পাদক এবং পুরকৌশল বিভাগের ছাত্র।

শিবির সন্দেহে গত রবিবার রাতে আবরারকে হলের কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার কয়েকজন সদস্য। তাঁকে নির্যাতনের পর রাত আড়াইটার দিকে হলের সিঁড়ির পাশে আবরারকে ফেলে রাখে তারা। পরে ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি এসে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে ৩ অক্টোবর একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে আবরারকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে সতর্ক করেছিলেন অমিত। হত্যাকাণ্ডের দিন রাসেল ও ফুয়াদ আবরারকে মারধর করার কথা বলেন। এটাকে তাঁদের ভাষায় ‘ট্রিটমেন্ট দিতে’ বলা হয়।

আবরারের মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলায় ২০১১ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা অমিতের নাম না থাকা নিয়ে চলছিল দেশজুড়ে বিতর্ক। সবশেষ এতে নতুন করে মাত্রা যোগ করে অমিতের একটি মেসেজ ফাঁস। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ওঠে। এতে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে আবরারের সহপাঠী এক শিক্ষার্থীকে অমিত মেসেঞ্জারে জিজ্ঞেস করেছেন, আবরার ফাহাদ কি হলে আছে? এ ধরনের একটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ১৭তম ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে না চাওয়ায় তারই এক সিনিয়র এ বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করেন।

এদিকে ‘আবরার হত্যায় অমিত জড়িত নয়’ বলে তার বন্ধুরা প্রথমে স্ট্যাটাস দিলেও পরে নতুন স্ক্রিনশটটি প্রচারিত হলে তারাও সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তারা বলেন, অমিত সাহা প্রসঙ্গে... আমি সুপান্থ জয়, নাশিদ সিফাত, মুবতাসিম ফুয়াদ বেগ ফাহিম, আবির সাহা, তৃপ্ত ভট্টাচার্য, অনিন্দ্য আকাশ শুভ্র, ইমতিয়াজ সৈকত, সামিউল জাওয়াদ রবি- আমরা অমিত সাহার ডিপার্টমেন্ট/সেকশনমেট। একই সঙ্গে ক্লাস করে এসেছি। আমরা কেউ তার হলেরও না। ক্লাসের অন্য ১০টা মানুষের মতো তার সঙ্গেও আমাদের বন্ধুত্ব ছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা