kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি অধিকাংশ শিক্ষার্থীর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি অধিকাংশ শিক্ষার্থীর

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে চলছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।

ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

এই ঘটনায় বিক্ষোভ চলছে বুয়েটে। সারাদেশেও এর ছোঁয়া লেগেছে। বুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও সাংবাদিকদের মাধ্যমেও পৌঁছেছে। তবে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বুয়েট শিক্ষার্থীদীর একটি ফেসবুক পেইজ ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে-বিপক্ষে একটি ভোটাভুটির আয়োজন করেছে। অনলাইনে এই ভোটাভুটিতে অংশ নিয়েছেন এখন পর্যন্ত সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষার্থী। যাদের অধিকাংশই মনে করেন বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা উচিৎ। ওই ভোটাভুটিতে নিষিদ্ধের পক্ষে মত দিয়েছেন ৯৭ ভাগ অংশগ্রহণকারী। 

শিবির সন্দেহে আবরারকে রবিবার রাত আটটার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে রাত আড়াইটার দিকে হলের সিঁড়ির পাশে আবরারের দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মারধরের সময় ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু। তিনি বলেন, আবরারকে শিবির সন্দেহে রাত আটটার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয়। সেখানে আমরা তার মোবাইলে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করি। ফেসবুকে বিতর্কিত কিছু পেইজে তার লাইক দেয়ার প্রমাণ পাই। সে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাই। এক পর্যায়ে আমি রুম থেকে বের হয়ে আসি। এরপর হয়তো তাকে মারধর করে থাকতে পারে। পরে রাত তিনটার দিকে শুনি আবরার মারা গেছে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা