kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আবরার হত্যার পুরো ভিডিও প্রকাশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৪:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় শেরেবাংলা হলের সিসিটিভি ক্যামেরার নতুন একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে আবরার হত্যাকাণ্ডের পুরো ভিডিও ফুটেজ বলে জানানো হয়েছে।

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে কিভাবে কোথায় এবং কে কে হত্যা করেছেন তার প্রমাণসহ সিসি টিভি ফুটেজ তুলে ধরা হলো। দেখুন আবরার ফাহাদের পুরো সিসি টিভি ফুটেজ। এর আগে সোস্যাল মিডিয়া এবং টিভি চ্যানেলে ফাহাদ হত্যার সিসি টিভি ফুটেজ অল্প করে দেখানো হয়েছিল।

গত রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সিসি টিভির ফুটেজে দেখা যায় বুয়েট শেরে বাংলা হলের নিচ তলা। আবরারের কক্ষ থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ডেকে দোতলায় নিয়ে যাচ্ছেন তাকে। এরপর থেকেই আর খোঁজ মিলেনি নিহত আবরার ফাহাদের।

তবে দোতলার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় দেখা যায় সিঁড়িতে কেউ আছে কিনা তা প্রথমে একজন নিশ্চিত করতে আসেন। পরে কয়েকজন আবরারের দেহ ঝুলিয়ে সিঁড়ির দিকে নিয়ে যান। তাদের পেছনেও থাকে আরো বেশ কয়েকজন।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে প্রকাশিত হলো ১১ মিনিটের বেশি সময়ের আরো একটি ভিডিও ফুটেজ। ফুটেজটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ অন্যান্য মাধ্যমে পোস্টের পর মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে।

ভাইরাল সেই ভিডিওটিতে দেখা যায়, রাত ৮ টা ১২ মিনিটে আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের কর্মীরা তার রুম থেকে ডেকে দোতলায় নিয়ে যায়। এরপর রাত ১টা ১৪ মিনিটে দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন তাকে বের করে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নিয়ে যায়।

এর পর তাকে ২০০৫ নম্বর কক্ষ থেকে তোষকের মধ্যে নিয়ে নিচতলায় নামানো হয়। সিঁড়িতে তাকে কিছুক্ষণ ফেলে রেখে পরবর্তীতে একটি স্ট্রেচারে তোলা হয়। এরপর চিকিৎসক আসেন।

কিছুক্ষণ পর হলের প্রভোস্ট ও ছাত্র কল্যাণ পরিচালক আসেন। তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেলকে কথা বলতে দেখা যায়।

এর আগে গত সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে পুলিশ কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে এই ভিডিওটি তারা সংগ্রহ করেছিলেন।

সিসি টিভি ফুটেজে শনাক্ত হওয়ার পর বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, যুগ্ম সম্পাদক ফুয়াদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক মোশারফ সকাল, সহসম্পাদক জাওয়াদ ও ক্রীড়া সম্পাদক সেফায়েতুল ইসলাম জিওনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

হত্যার নেপথ্য কারণ :  বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক কিছু চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে আবরার কয়েকটি স্ট্যাটাস দেন। এতেই তাঁকে ভিন্নমতাদর্শী রাজনৈতিক দলের কর্মী ভেবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অনেকের ধারণা। তবে এটিই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা