kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

রিজভীর প্রশ্ন

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হলো কোন আইনে?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হলো কোন আইনে?

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেছেন, শোভন-রাব্বানীকে সরিয়ে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হলো কোন আইনে? এতে সুস্পস্টভাবে প্রমাণ হয়, নিয়ম-নীতি, বিধি-বিধান, আইন-কানুন সব লঙ্ঘন করে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে ঢাকঢোল পিটিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করছেন। এতে কি আরপিও ভঙ্গ হয় না?

আজ মঙ্গলবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ছাত্রলীগ আগে আওয়ামী লীগের সহযোগী থাকলেও নতুন আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আরপিও অনুযায়ী ছাত্রলীগ স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সংগঠন। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রও সে কথাই বলে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আওয়ামী লীগের সংশোধিত চূড়ান্ত গঠনতন্ত্রের ২৫ (১) ধারা অনুযায়ী ছাত্রলীগ তাদের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনমাত্র।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা সকল নীতি উপেক্ষা করে ছাত্রলীগের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করছে। এমনকি শোভন-রাব্বানীর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের দায়িত্বে ছিলেন বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতা। তাহলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের যেভাবে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে সে ধরনের নোটিশ কি আওয়ামী লীগের নেতাদের দিতে পারবেন আদালত?

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের ২৯তম কাউন্সিলের সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ছয় জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও এনামুল হক শামীম।

রিজভী বলেন, বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষে নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে গত ১৪ সেপ্টেম্বর কাউন্সিল অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছিল। এই কাউন্সিল ও নেতৃত্ব নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশে ছাত্রদলের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। কিন্তু কাউন্সিল অনুষ্ঠানের মাত্র দু’দিন আগে সরকারের আজ্ঞাবহ নিম্ন আদালত থেকে তড়িঘড়ি করে কাউন্সিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে থামিয়ে দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে  উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আব্দুল আউয়াল খান, শেখ মো. শামীম, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা