kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

এখন বিমানে উঠলে গর্বে বুক ভরে যায় : প্রধানমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এখন বিমানে উঠলে গর্বে বুক ভরে যায় : প্রধানমন্ত্রী

ছবি : পিআইডি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন বিমানে উঠলে গর্বে বুক ভরে যায়। আগে বিমানগুলো ছিল ঝরঝরা। ছাদ ফুটো ছিল, পানি পড়ত। টিস্যু গুঁজে দিয়ে পানি পড়া থামানো হতো। এখন সেই অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে।

তিনি বলেন, এখন আর বিমানের আগের অবস্থা নেই।  ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে পাঁচবছর ছিলাম। বিমানের উন্নয়নে তখন বুক বেশি কিছু করতে পারিনি। কারণ টাকা-পয়সার ব্যাপার ছিল। এখন আমাদের যে রিজার্ভ আছে সেখান থেকে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে আরো দুটি উন্নতমানের বিমান কিনতে পারব। আমাদের সেই পরিকল্পনা আছে। আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সরকারি অফিসাররা যে যেখানেই যান, বাংলাদেশ বিমানেই যেতে হবে।

আজ মঙ্গলবার বিমান বাংলাদেশের চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। বৈদেশিক মুদ্রার পর্যাপ্ত রিজার্ভ আমাদের আছে। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা এদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সর্বাত্ম চেষ্টা চালাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত কষ্ট করে, এত অর্থ দিয়ে প্লেন কিনে দিয়েছি। রক্ষণাবেক্ষণ আপনাদের আন্তরিকতার সঙ্গে দেখতে হবে। একই সঙ্গে যাত্রীসেবা- এই যাত্রী সেবার মান, যাত্রীদের আস্থা-বিশ্বাস সততার সঙ্গে, নিষ্ঠার সঙ্গে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আশা করি, বিমানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। যাত্রীসেবার মান বাড়িয়ে ও ভৌগোলিক অবস্থান কাজে লাগিয়ে বিমানের যাত্রী বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, বোয়িং আমেরিকান প্লেন, আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর এখানে আছেন, বোয়িং যদি আমেরিকায় না যায় এটা তো তাদেরই মান-সম্মানের ব্যাপার। আশাকরি সেখানেও আমরা ভবিষ্যতে যেতে পারবো, ড্রিমলাইনার নিয়েই আমরা যেতে পারবো।

ভাষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী ড্রিমলাইনার রাজহংসের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর তিনি কেক কাটেন এবং উড়োজাহাজটিতে আরোহন করেন ও ককপিটসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, সচিব মো. মহিবুল হক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) মোহাম্মদ ইনামুল বারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা