kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

ফরিদপুরে সিজারের পর প্রসূতির মৃত্যু : তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৭:৫৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফরিদপুরে সিজারের পর প্রসূতির মৃত্যু : তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

ফরিদপুরে ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে সিজারের পর চিকিৎসা অবহেলায় এক প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এজন্য কমপক্ষে ৩ জন গাইনোকোলজি ও অবস বিশেষজ্ঞ নিয়ে কমিটি করতে বলা হয়েছে। এই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন তিন সপ্তাহের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালত অন্তবর্তীকালীন আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেছেন। রুলে প্রসুতির মৃত্যুর ঘটনায় কেন অপারেশনকারী চিকিৎসক, হাসপাতালের সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে দায়ী করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অপারেশনকারী চিকিৎসক ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. দিলরুবা জেবা, হাসপাতালের সেক্রেটারি জেনারেল সালাহউদ্দিন আহমেদ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আক্কাস মণ্ডলকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইশতিয়াক আহমেদের করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এম কে রহমান ও ব্যারিস্টার এম মইনুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।

ফরিদপুরের ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে সিজারের পর চিকিৎসা অবহেলায় প্রসুতি মৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে গত পহেলা সেপ্টেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়।

সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ফরিদপুরের ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের অবহেলায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। ৩০ আগস্ট শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে প্রসূতি ফরিদপুর হালিমা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক খায়রুন্নাহার তানি সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যা শিশুর জন্ম দেন। ৩১ আগস্ট শনিবার সকাল ৭টায় হাসপাতালে মারা যান তানি।

তানির স্বামী হাইকোর্টের আইনজীবী সফওয়ান করিম অভিযোগ করেন, ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ডাক্তার দিলরুবা জেবা নির্ধারিত সময়ের আগেই রোগীকে সিজারিয়ান অপারেশন করায় এই মৃত্যু হয়েছে। তার অভিযোগ, অসুস্থ হওয়ার পর শিশু হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের ডেকে পাওয়া যায়নি।

ডা. দিলরুবা জেবা বলেন, রোগী যথেষ্ট জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পূর্বনির্ধারিত সময়েই অপারেশন করে তাকে সুস্থ করার চেষ্টা করেছি আমরা। তার প্রেসার বেশি ছিল এবং তিনি প্রি-একলামশিয়ায় ভুগছিলেন। হার্ট ফেইলিওর বা ব্রেন হেমারেজে তার মৃত্যু হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা