kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

গণতন্ত্রের পথে বড় বাধা আওয়ামী লীগ : ফখরুল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:০৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গণতন্ত্রের পথে বড় বাধা আওয়ামী লীগ : ফখরুল

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের জন্য একটা বড় বাধা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এটা একটি ফ্যাসিস্ট শক্তি। ওরা ফ্যাসিবাদে বিশ্বাস করে, একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে এবং সেটাই তারা প্রবর্তন করতে চায়। আমরা অবশ্যই তাদের সাথে একমত নয়। আমরা যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করি, তারা অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হবো।

আজ সোমবার রাজধানীর তোপখানায় শিশুকল্যান মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস ও আমরা শীর্ষক মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের বর্তমানে যে সরকার, এটা সম্পূর্ণরূপে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া একটা সরকার এবং আমরা জানি এ আওয়ামী লীগ পূর্বেও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলো। এরা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না, কোনদিন করেনি। তাই তাদেরকে আর অন্যান্য দলগুলোকে আমি কোনদিনই এক করতে চাই না।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটি জিনিসরই সময় আছে, ধাপ আছে। আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের জনগণ কোনোদিনই এভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারকে মেনে নেয়নি এবং এটা সম্ভব না। সুতরাং তারা ঐক্যবদ্ধ হবে এবং ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তারা মুক্ত করবে।

মির্জা ফখরুল দাবি করে বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি কেউ যদি ত্যাগ শিকার করে থাকেন সেটি হচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এরশাদ ক্ষমতায় যাওয়ার পর থেকে আমাদের এই নেত্রী যিনি গৃহবধূ ছিলেন, তিনি এই গণতন্ত্রের জন্যই দীর্ঘ ৯ বছর সংগ্রাম করে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। আজকে প্রায় ১৮ মাস সম্পূর্ণ একটি সাজানো মিথ্যা মামলায় তাকে সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। এই সরকার সঙ্গত কারণেই তাকে কারাগারে রেখেছেন এই জন্য যদি তিনি বাহিরে থাকেন তবে তাদের পক্ষে সবকিছু একতরফা ভাবে নিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো না।

তিনি বলেন, যারা আজ বিশ্ব রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে, যারা আজ বিশ্ব অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের ক্রীড়ানক হয়ে এই সরকার ক্ষমতায় আছে। যে কারণে আমরা দেখি যখন রোহিঙ্গা সমস্যা দেখা দেয়, সেই সমস্যার সমাধান বাংলাদেশ তার কূটনৈতিক ম্যানুভারিং করে করতে পারে না। আমরা দেখি যখন আসামে প্রায় ১৯ লাখ মানুষকে রাষ্ট্রহীন করা হয়, তাদের  বলা হয় তারা সবাই বাংলাদেশ থেকে এসেছে, তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে তখনো এই নতজানু সরকারকে কোনো প্রতিবাদ করতে আমরা দেখি না। এটাই বাস্তবতা।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে মতের ছোট-খাটো যেসব পার্থক্য রয়েছে, সেগুলোকে পাশে রেখে গণতন্ত্রের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেএসডি সভাপতি আসম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা