kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

ধামরাইয়ে রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, এলাকাবাসীর বাধা

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধামরাইয়ে রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, এলাকাবাসীর বাধা

ঢাকার ধামরাইয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করাকালে এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধি বাধা দিলে ঠিকাদারের লোকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে জেলা পরিষদের প্রকৌশলী এসে নিম্নমানের উপকরণ বাতিল করায় উত্তেজিত জনতা শান্ত হয়।

জানা গেছে, ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে ধামরাই পৌরসভার থানা বাসস্ট্যান্ড থেকে নতুন দক্ষিণপাড়ার পর্যন্ত একশত ৩৮ মিটার রাস্তা আরসিসি (রড, সিমেন্ট, কংক্রিট) ঢালাইয়ের কাজ পান মেসার্স আবদুল বাসেদ জিহাদী নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এর প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৯ লাখ টাকা। ওই রাস্তায় রবিবার সকালে ঢালাইয়ে কাজ করার সময় নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় এলাকাবাসী বাধা দেয়। এক পর্যায়ে ঠিকাদারের ছেলে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ ঘটনাস্থলে আসেন।

এ সময় ঠিকাদারের ঢালাই সরদার ফিরোজ হোসেন তার লোকজন ও ঢালাইকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী ফিরোজকে কাউন্সিলর শহিদুল্লাহর কাছে নিয়ে আসে। এ সময় কাউন্সিলর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে নিম্নমানের উপকরণের বিষয়টি অবহিত করেন। 

কাউন্সিলর শহিদুল্লাহ বলেন, পাথরের পরিবর্তে পুরাতন ভবনে বা পিলারের ব্যবহৃত পাথরসহ সুড়কি, সিলেকশন বালুর পরিবর্তে সাধারণ বালু ও ১০ মিলি রডের পরিবর্তে আট মিলি রড ব্যবহার করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া যে রড দেওয়া হয়েছে তাও সিডিউলের চেয়ে প্রায় ৫-৬ ইঞ্চি ফাঁক ফাঁক রড বিছানো হয়েছে। এ রাস্তার কাজে এতো নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে তা তিনি জীবনেও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন।

জেলা পরিষদের উপসহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, রাস্তায় ঢালাইয়ের কাজ করতে হলে আমাদের আগের দিন জানিয়ে থাকেন ঠিকাদার। কিন্তু এ কাজে আমাদের কোনো প্রকৌশলীকে জানাননি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। এতে বোঝা যায় ঠিকাদারের উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। তিনি বলেন, যেসব উপকরণ আনা হয়েছিল তা বাতিল করা হয়েছে।

নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কথা স্বীকার করে ঠিকাদার আবদুল বাসেদ জিহাদী বলেন, আমি সব মালামাল সড়িয়ে নিচ্ছি। এ বিষয়ে কোনো লেখালেখি করবেন না। আমি আপনার সঙ্গে দেখা করব। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা