kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১         

বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৭:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মো. খাদেম উল কায়েস এই রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম অপূর্ব সরকার। তিনি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরের সিংজুড়ি গ্রামের গৌর চন্দ্র সরকারের ছেলে। 

ট্রাইব্যুনাল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে আরও চার মাস সাজা ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। আসামি পলাতক থাকায় তিনি গ্রেপ্তার হওয়া বা ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পনের পর এই রায় কার্যকর হবে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে এক নারীকে অপূর্ব সরকার ডেসটিনি গ্রুপের মালিবাগ হোসাফ টাওয়ার নামক ভবনে একটি প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি করে দেন। প্রশিক্ষণ শেষে ওই নারীকে চাকরি করার প্রস্তাব দেন। তাকে বিয়ে করারও আশ্বাস দেন। ২০১১ সালের ১১ এপ্রিল ডেসটিনি অফিস থেকে মিটিং শেষে ভিকটিমকে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অপূর্ব সরকার মহাখালী এম এ ম্যানশনে নিয়ে যান। ভিকটিমকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে দিলে রাজি হন এবং তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে যান। পরে অপূর্ব সরকার তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

পরে ভিকটিম আসামিকে বিয়ের চাপ দিলে ওই বছরের ১৩ এপ্রিল ঢাকেশ্বরী মন্দিরে নিয়ে ভিকটিমের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন। ১৬ মে ভিকটিম তার মা ও বোনকে নিয়ে ডেসটিনি অফিসে গেলে আসামি অঙ্গীকারনামা দেন যে, তিনি অর্থনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তাকে ঘরে তুলবেন। পরে ২০১৩ সালের ৭ মার্চ ভিকটিমকে জানিয়ে দেন তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেবেন না এবং ঘরে তুলে নেবেন না। পরে ভিকটিম ২০১৩ সালের ২১ মার্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২০ আগস্ট নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের উপ-পরিদর্শক কুইন আক্তার আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন। বিচার চলাকালে ১০ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা