kalerkantho

সংসদে বিমানমন্ত্রী

ড্রোন আমদানি ও পরিচালনায় নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ড্রোন আমদানি ও পরিচালনায় নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত

বর্তমানে দেশে ড্রোনের সংখ্যা নিরূপিত হয়নি। সমগ্র বিশ্বে ড্রোন একটি নতুন বিষয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় ড্রোন পরিচালনা ও আমদানীর বিষয়ে সুষ্পষ্ট নীতিমালা প্রস্তুতের লক্ষ্যে বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও দপ্তর কাজ করছে। নীতিমালা প্রকাশের পর রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারের কাছে ড্রোন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। সরকারদলীয় সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, সাম্প্রতিককালে দেখা যায়, কিছু উৎসাহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিনা অনুমতিতে বাংলাদেশের আকাশসীমায় আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিক্যাল সিস্টেম (ইউএভি/ইউএএস), রিমোট কন্ট্রোল বিমান অথবা খেলনা বিমান প্রভৃতি উড্ডয়ন পরিচালনা করছে। এসকল অনুমোদিত উড্ডয়নের ফলে নিয়মিত উড্ডয়নকারী বিভিন্ন অনুমোদিত দেশি-বিদেশি বিমান, হেলিকপ্টার এবং দ্রুতগতি সম্পন্ন সামরিক বিমানের সঙ্গে আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। 

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী জানান, চোরাচালান বন্ধের জন্য বিমানের সকল স্থাপনায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বক্ষণিক মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বাংলাদেশের সকল বিমানবন্দরে বিমানের বিভিন্ন স্থাপনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, বিমানের কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারীর বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালান বা অন্য কোনো অসদাচরণের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বিমানের চাকুরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বিভাগীয় তদন্তে আনীত অভিযোগ প্রমাণীত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা