kalerkantho

কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান-চাল কেনা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান-চাল কেনা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য ক্রয় নীতিমালা ২০১৭ অনুসারে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ও চাল কেনার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। খাদ্য ও কৃষিসচিব এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দেন। জাতীয় কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপের করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রিট আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ফিরোজ আলম। কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ও চাল কেনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি গত ২৮ জুলাই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় রিট আবেদন করা হয় বলে দাবি করেছেন রিট আবেদনকারীর আইনজীবী।

রিট আবেদনে বলা হয়, নীতিমালা অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ করার কথা। কিন্তু কিছু গুদাম মালিক ও মধ্যস্বত্বভোগীর কারণে এই নীতিমালা লঙ্ঘিত হচ্ছে। কৃষক তার পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রিট আবেদনে বলা হয়, সরকারঘোষিত মূল্যে কৃষক ধান বা চাল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে না। সরকারের সংশ্লিষ্টরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান বা চাল কিনছে না। ফলে এক শ্রেণির লোককে বেআইনি সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তারাই কৃষকের কাছ থেকে কমমূল্যে ধান ব চাল সংগ্রহ করছে। ফলে কৃষক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তারা উৎপাদন খরচও পাচ্ছে না।

রিট আবেদনে বলা হয়, দেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের প্রধান পেশা ধান উৎপাদন করা। শুধুমাত্র ধান বিক্রি করেই তাদের জীবন-জীবিকা চলে। দিন দিন ধান উৎপাদনের খরচ বাড়ছে। কিন্তু তাদের উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে কৃষকরা ধান চাষে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। এটা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা