kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শাহজালালে পণ্যের দরে কারচুপি, ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোন দিয়ে পুরস্কার লাভ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৭:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শাহজালালে পণ্যের দরে কারচুপি, ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোন দিয়ে পুরস্কার লাভ

ছবি ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছিলেন এক তরুণ ও এক কিশোর বিদেশ ফেরত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যেতে। বিমানবন্দরের ক্যানপির বাইরের দিকে অবস্থিত দুটি দোকান থেকে তারা কোমলপানীয় কেনেন। দাম পাঁচ টাকা বেশি রাখেন দোকানি। দোকানের এক পাশে টাঙানো ব্যানারে অবশ্য লেখা ছিলো খালি বোতল ফেরত দিলে পাঁচ টাকা ফেরত দেয়া হবে। কিন্তু দোকানদার আরও পাঁচ টাকা দিলে বোতল ফেরত নেবে বলে জানান। 

তারা এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান। অপরাধী দুই দোকানির প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিধান অনুযায়ী অভিযোগকারীদ্বয় আদায়কৃত জরিমানার ২৫% অর্থাৎ ২৫০০ টাকা করে বুঝে নিয়েছেন।

'ম্যাজিস্ট্রেট অল এয়ারপোর্টস অফ বাংলাদেশ' ফেসবুক পেজে আজ সোমবার এ বিষয়ে বলা হয়, ভোক্তা হিসাবে আপনার অধিকার আদায়ে আপনিও সচেতন হোন। বিমানবন্দর এলাকায় ভোক্তা হিসাবে আপনার প্রাপ্য অধিকার লঙ্ঘিত হলে ফোন করুন ০১৩০৪০৫০৬০৩ নম্বরে।

ফেসবুক পেজে পুরস্কার পাওয়া তরুণ ও কিশোরের ছবি পোস্ট করে বলা হয়, না। ছবিতে মুখ ঢাকা যে তরুণ ও কিশোরকে দেখছেন তারা কেউ কোন অপরাধ করেননি। উভয়েই বিমানবন্দরে এসেছিলেন বিদেশ ফেরত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যেতে। অপেক্ষার ফাকে বিমানবন্দরের ক্যানপির বাইরের দিকে অবস্থিত দুটি দোকান থেকে তারা পানি ও কোমল পানীয় কিনেছিলেন। 

দাম দিতে গিয়ে দেখলেন যে দোকানি বোতলের গায়ে লেখা দামের চেয়ে পাঁচ টাকা বেশি রাখছে। দোকানের এক পাশে টাঙানো ব্যানারে লেখা আছে যে খালি বোতল ফেরত দিলে পাঁচ টাকা ফেরত দেয়া হবে। অথচ দোকানি সে বিষয়ে কিছু বলছে না। দোকানিকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করার পর সে জানায় যে বোতল ফেরত দিয়ে পাঁচ টাকা নিতে হলে নাকি আরও পাঁচ টাকা দিতে হবে! বাধ্য হয়েই কল দিলেন এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নম্বরে। অপরাধী দুই দোকানির প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিধান অনুযায়ী অভিযোগকারীদ্বয় আদায়কৃত জরিমানার ২৫% অর্থাৎ ২৫০০ টাকা করে বুঝে নিয়েছেন।

অভিযোগকারীদ্বয়ের মধ্যে নাদিম হোসেন নবম শ্রেণির ছাত্র। এ বয়সে নিজের অধিকার সচেতন হয়ে সে অধিকার আদায় করে নিতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ করেছে। নিজের ছবি ফেসবুক পোস্টে যেতে পারে এটা শুনেও ছবি তোলায় কোন আপত্তি করেনি নাদিম। অপর অভিযোগকারী সুদর্শন তরুণ আমাদের এ ফেসবুক পেইজের নিয়মিত ফলোয়ার। নাম ও ছবি প্রকাশে আপত্তি থাকায় তার চেহারা ঢেকেই ছবি আপলোড করা হল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা