kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মাদক কারবারি সেই মিজানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মাদক কারবারি সেই মিজানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ফরিদপুরে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ পাওয়ায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় (দুদক)। 

আজ রবিবার দুদক ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কমলেশ মণ্ডল বাদি হয়ে বিশেষ জজ আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন দুদক আইন-২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায়।

মিজানুর রহমান বোয়ালমারী উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের কদমী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজ এলাকায় সুমনা ডেইরি ফার্ম ও একটি মৎস্য খামারের সত্ত্বাধিকারী। এছাড়া ঢাকায় পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের ঝুট কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এক কোটি ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা ও দুদকে দাখিলকৃত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিবরণীতে তিন কোটি ৪৩ লাখ ৮৫ হাজার ৪৯৭ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ তার দখলে থাকায় এ মামলা করেন দুদক।

অভিযোগ রয়েছে, গাজীপুরে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে আতাত করে মাদক ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ করেছেন মিজানুর রহমান। পুলিশের সহযোগিতায় গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি গাড়ি ডেইরি ফার্মসহ সম্পদের পাহাড় গড়েন। মাদক কারবারি মিজানুর রহমানকে শেল্টার দেন ক্ষমতাসীন দলের নেতাও। এক সময় অর্থের অভাবে তিন বেলা খাবারও যার কপালে জুটতো না, সেই মিজান অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যায়। এলাকায় পুলিশ পাহাড়ায় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন মিজান। তবে দুদকের মামলার পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন মিজান। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বোয়ালমারি উপজেলার রূপাপাত উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদটিও দখলে নেন মিজান।

দুদকের সহকারী পরিচালক কমলেশ মণ্ডল জানান, গত বছরের জুন মাসে মিজানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ থাকার একটি অভিযোগ পান দুদক। এরপর গত বছরের ১৪ জুন দুদকের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কমলেশ মণ্ডল মিজানুর রহমানকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে নোটিশ জারি করেন। কয়েক দফা নোটিশ জারির পর তিনি দুদকে এসে তার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। দাখিলকৃত ওই সম্পদ বিবরণীতে মিজানুর রহমান। দাখিলকৃত প্রতিবেদন যাচাই করে মিজানের বিরুদ্ধে এক কোটি ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা ও দুদকে দাখিলকৃত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিবরণীতে তিন কোটি ৪৩ লাখ ৮৫ হাজার ৪৯৭ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ তার দখলে থাকায় এ মামলটি করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা