kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধামরাইয়ে বালু ব্যবসার জেরে থানার গাড়ি চালক খুন

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি    

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধামরাইয়ে বালু ব্যবসার জেরে থানার গাড়ি চালক খুন

ঢাকার ধামরাইয়ে বংশী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় পুলিশের গাড়ি চালক ফরিদ আলমকে খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন।

আটক সাইফুল ইসলামের বরাদ দিয়ে ফরিদের হত্যাকাণ্ডে প্রায় ১৫ জন জড়িত বলে জানান ওই কর্মকর্তা। আটক ফরিদের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলামকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করেছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত আছে।

নিহত ফরিদ ধামরাই থানার রিক্যুইজিশন করা মাইক্রোবাসের চালক ছিলেন। ওই মাইক্রোবাসে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাতেন এসআই প্রমোজ চৌধুরী। অভিযানে মাদক বিক্রেতা, মাদকসেবীসহ অন্যান্য অপরাধীদের আটক করা হতো। চালক ফরিদের মাধ্যমে দেনদরবার করে আবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। এ ছাড়া ফরিদের হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের সঙ্গে ফরিদের দ্বন্দ্ব ছিল। ফরিদ থানা পুলিশের গাড়ি চালক হওয়ার পর তার নিজ গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের কয়েকজনকে আটক করেন এসআই প্রমোজ চৌধুরী।

এরমধ্যে সাইফুল ইসলাম, শাহজাহানসহ কয়েকজনকেও আটক করা হয়। থানায় এনে তাদের শারীরিক নির্যাতনও করা হয়। আবার তাদেরকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ফরিদের ভূমিকা ছিল। এসব কারণে ফরিদকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এসআই প্রমোজ চৌধুরী ১ আগস্ট থেকে বর্তমানে টাঙ্গাইলের মহেড়াতে প্রশিক্ষণে আছেন। এ সুযোগে ফরিদকে হত্যা করা হয় ২৯ আগস্ট গভীর রাতে।

ফরিদ আলম এক সময় এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্রের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার নামে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। প্রায় দুই বছর আগে ধামরাই থানা পুলিশ একটি মোটরসাইকেল ছিনতাই মামলায় আটক করে ফরিদকে। তৎকালীন ওসি রিজাউল হক ভালো হওয়ার শর্তে ফরিদকে আদালতে চালান করে। আদালত থেকে জামিন নিয়ে ওসির কাছে শর্ত দেওয়া মোতাবেক বাড়ির পাশেই বংশী নদী থেকে মিনি ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিলেন তিনি। এ নিয়ে তার চাচাতো ভাইসহ কয়েকজনের সঙ্গে মারামারির ঘটনা ঘটে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা