kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

এবার পাঁচ টাকায় স্যানিটারি প্যাড

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবার পাঁচ টাকায় স্যানিটারি প্যাড

পথশিশু ও দরিদ্রদের মধ্যে 'এক টাকার আহার' এর পর বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এবার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল নারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি প্যাড বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে।

শুরুতে পিরিয়ড কালীন সময় সম্পর্কে সচেতন করতে তিন লাখ প্যাড বিনামূল্যে বিতরণ করবে সংগঠনটি। তারা আশা করছে, এর ফলে কাপড় ব্যবহারের ঝুঁকি থেকে সরে এসে প্যাড ব্যবহারের মতো স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তাদের তৈরি করে। আর এরপর থেকে ছয়টি প্যাডের একটি প্যাকেটের জন্য মাত্র পাঁচ টাকা নেয়া হবে।

বিদ্যানন্দ জানায়, মেয়েদের জীবনে ঋতুস্রাবের সপ্তাহটি প্রচণ্ড যন্ত্রণার। কিন্তু এই কষ্টের অনুভুতির চেয়ে মেয়েদের কাছে বেই মূখ্য থাকে বিব্রত এবং লজ্জাবোধের অনভুতিগুলো। সমাজ এই পিরিয়ডকালিন সময়টিকে ট্যাবু বানিয়ে দিয়ে সব সমস্যা সমাধান করে ফেলেছে, তাই সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই।

একটা বিষয় অবাক লাগে, এই যন্ত্রণা সময়টি ঘিরেও ব্যবসা আছে। যে পণ্যটা এই সময়ে খুবই আবশ্যক, সেটি বিক্রিতে অনেকে লাভের ক্যালকুলেটর চাপে। ফলে বাধ্য হয়ে অস্বাস্থ্যকর কাপড় ব্যবহার করে ক্যান্সারের মতো মরণঘাতী রোগের ঝুঁকি থাকে।

এই সমাধানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সস্তায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে স্যানিটারি প্যাড পৌঁছে দেবে। মাত্র পাঁচ টাকায় এই প্যাড পাওয়া যাবে বিভিন্ন বস্তি এবং স্টেশনগুলোতে। ইতিমধ্যে বাসন্তী গার্মেন্টসে প্রোডাকশন শুরু করেছে, এখনো প্যাড প্রতি দুই টাকা করে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে তাদের। আগামী মাস থেকেই বিভিন্ন স্কুলগুলোতে শুরু পরিকল্পনা তাদের।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরু করা বিদ্যানন্দ একটি শিক্ষা সহায়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ৪০ জন কর্মকর্তা, কয়েকশ স্বেচ্ছাসেবক দ্বারা আটটি শাখা, নিজস্ব ক্যাম্পাসে নবনির্মিত অনাথাশ্রম আর পরিপূর্ণ স্কুলের স্বপ্ন দেখছে তারা।

প্রাতিষ্ঠানিক অনুদান নয়, কিছু ব্যক্তি টাকা দেন এই কাজে। মাসিক কিংবা এককালীন অনুদান নিয়ে থাকে তারা। কেউ কেউ দেন স্বেচ্ছাশ্রম। আর কোথায় কত অর্থ ব্যয় হলো, তার হিসাব দিয়ে থাকে তারা।

ঢাকা শাখা ছাড়াও চট্টগ্রাম, নারায়াণগঞ্জ, কক্সবাজার, রাজবাড়ী, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহে কার্যক্রম চালায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা