kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জিয়ার সমাধিতে হাতাহাতি, পাঞ্জাবি ছিঁড়ল বিএনপি নেতা আঞ্জুর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতারা। এর মধ্যে সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জুকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

আজ রবিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, রবিবার সকাল ১০টায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সমাধিতে ফুল দিতে যান ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সিনিয়র নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করে চলে যাওয়ার পর ফুল দেওয়ার সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দুগ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একে অপরকে কিলঘুষি মারেন। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল বাছিদ আঞ্জুর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে খালি গায়ে জিয়ার মাজার এলাকা ত্যাগ করেন আঞ্জু।

বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বিগত দিনে থানা কমিটি গঠনে স্বেচ্ছাচারিতা, পকেট বাণিজ্য করে সংগঠনকে শেষ করে দিয়েছেন। এখনো তারা সেই কাজটিই করছেন। এর সঙ্গে নতুন করে আসন্ন (উত্তর) সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচন করতেও বাণিজ্য শুরু করেছেন। তারা কাউন্সিলর নির্ধারণ করতে গিয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। এতে প্রত্যেক থানা বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা এসব অভিযোগ বিএনপির হাইকমান্ডকে অবগত করলেও কোনো সমাধান হয়নি। এতে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করেই এ ঘটনা ঘটে।

তবে আজকের ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন কেউ কেউ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্রদলের নেতা ইসমাইল হোসেন বলেন, বিক্ষুব্ধদের প্রধান টার্গেট ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহসানউল্লাহ হাসান, যুগ্ম-সম্পাদক এ জি এম শামসুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক এ বি এম রাজ্জাক। তবে তারা পালিয়ে যাওয়ায় সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জুকে কিল, ঘুষি, লাথি মারা হয়, তার পাঞ্জাবিও ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে তিনিও দৌড়ে পালিয়ে যান। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা