kalerkantho

'মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পথে যাব না, কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছি'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ আগস্ট, ২০১৯ ১৭:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পথে যাব না, কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছি'

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রোহিঙ্গারা সীমান্ত পেরিয়ে আসার পর মিয়ানমার সরকার আন্তর্জাতিক চাপ অনুভব করছে। আমরা আরো চাপ অব্যাহত রাখব। মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার দায় নিতে হবে। আমরা তাদের সাথে যুদ্ধের পথে যাব না। ঠাণ্ডা মাথায় কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছি।

আজ শনিবার রাজধানীর কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ১৫ জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে যারা বলেন এখানে কূটনৈতিক প্রয়াস ব্যর্থ হয়েছে। আমি বলবো এটা সঠিক কথা নয়। এখানে কূটনৈতিক ব্যর্থতার কোনো বিষয় নয়, এখানে কৌশলগত কারণ রয়েছে। অনেক সময় দুই পা এগিয়ে গেলে এক পা পিছিয়ে পড়ে। সেই বাস্তব কারণে এক পা পিছিয়ে গেলে সেটাকে কূটনীতিক ব্যর্থতা বলা সঠিক হবে না।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারে কূটনৈতিক প্রয়াস এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এই ব্যপারে আমাদের মনে রাখতে হবে মিয়ানমারেরও বন্ধু আছে। এবং শক্তিশালী বন্ধু আছে। বাস্তবতাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। মিয়ানমার বন্ধুহীন এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সীমান্ত খুলে দিয়ে ১১ লাখ রিফিউজিকে আশ্রয় দিয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসের কোনো দেশের সীমান্ত দিয়ে এত রিফিউজি আশ্রয় দেয়নি। মানবতার মাতা শেখ হাসিনা, মানবতার সব দৃষ্টান্ত পেছনে ফেলে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছ। ১১ লক্ষ রোহিঙ্গা লালনপালনে আমাদের টুরিজম এফেক্ট হচ্ছে। আমাদের ইকোলজি এফেক্ট হচ্ছে, আমাদের ইকোনমিক এফেক্ট হচ্ছে। আমাদের পর্যাটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি এ সময় গলাবাজি- মিথ্যাচার করা ছাড়া বিএনপির আর কোনো রাজনীতি নেই বলেও মন্তব্য করেন।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান, বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ ভূইয়া, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা