kalerkantho

টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন ২ রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

টেকনাফ প্রতিনিধি   

২৪ আগস্ট, ২০১৯ ১০:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন ২ রোহিঙ্গা  ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে  যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যায় অভিযুক্ত দুই রোহিঙ্গা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাতে ফারুক হত্যা মামলার আসামি ধরতে টেকনাফের হ্নীলা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডুর সব্বির আহমেদের ছেলে মুহাম্মদ শাহ ও একই জেলার রাসিদং থানা এলাকার সিলখালির আবদুল আজিজের ছেলে আবদু শুক্কুর। তারা দু’জনই টেকনাফের হ্নীলার জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গত ২২ আগস্ট টেকনাফের হ্নীলার যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যায় জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা জামিমুরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুঁড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে দুই রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ দুইজন উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকসহ তিন সদস্য আহত হয়।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উগ্রবাদী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র মহড়ার দেয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক নিজ বাড়ির পাশে কাজে ছিলেন। তিনি অন্ধকারে একদল মানুষের মহড়ার আশংকা করে সেদিকে টর্চলাইটের আলো ফেললে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে সেখান থেকে তুলে পাহাড়ে টর্চার সেলে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর সন্ত্রাসীরা ওমর ফারুক কে গুলি করে হত্যা করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা