kalerkantho

‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে আলোচিত বিষয়গুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করুন’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ আগস্ট, ২০১৯ ১৮:৫৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে আলোচিত বিষয়গুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করুন’

ভারত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচিত বিষয়গুলো জনসমক্ষে প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। এছাড়াও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ আলোচনা না করায় কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ সিপিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন জোট সমন্বয়ক ও ইউসিএলবি’র সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মানস নন্দী, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, সিপিবি’র কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আকবর খান ও গণসংহতি আন্দোলনের বাচ্চু ভূঁইয়া।

সভায় তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে ভারত সরকারের গড়িমসি ও দৃষ্টি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানি বণ্টনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন ফর্মুলার কথায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, একতরফাভাবে ফেনী নদী থেকে পানি নেওয়ার বিষয়টি ভারত আলোচনায় আনার চেষ্টা করছে। যা কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তির বিষয়টি দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনায় যথোপযুক্তভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতায় ক্ষোভ জানানো হয়।

সভায় কাশ্মীর ইস্যুটিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে আখ্যা দিয়েছেন সে বিষয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত একটি বিষয়। কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। এতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের এ অঞ্চলে হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হবে। 

ভারতের বিজিপি সরকারের হাত ধরে ইসরাইলিদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির বিষয়েও উদ্বেগ জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ আসামের জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকে (এনআরসি) বাংলাদেশের জন্য আশঙ্কাজনক আখ্যা দেন। তারা ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেতৃবৃন্দের বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও স্বাধীনতার বিষয়ে বিষদগারের সমালোচনা করেন।

সভায় প্রতিনিয়ত সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের দুর্বল মনোভাবের সমালোচনা করেন। ভারতীয় ৫০ কোটি ডলার ঋণে ভারত থেকে অস্ত্র ক্রয়ের আহ্বানেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এছাড়া সভায় গত ঈদে চামড়ার দাম নিয়ে চামড়া ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের তৎপরতা ও সরকারে নিস্পৃহতা এবং ডেঙ্গু মহামারি দমনে সরকার ও সিটি কর্পোরেশনের ব্যর্থতায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা