kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

বাপেক্স প্রকৌশলীসহ আরো তিনজনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৫:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাপেক্স প্রকৌশলীসহ আরো তিনজনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে

ঈদের ছুটির মধ্যে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে আরো তিনজনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) ভোরে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে সামিয়া নামের ৫ বছরে এক শিশু।

সকাল ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাপেক্সের প্রকৌশলী মাহবুল্লাহ হক (৩৫)। এ ছাড়া ‌ঈদের দিন গতকাল সোমবার বিকেলে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান মোহাম্মদ রাসেল (৩২) নামের এক যুবক। তিনি ঢাকার রমনা পার্কের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ছিলেন। 

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর  আগারগাঁও তালতলা থেকে দুই দিন আগে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল সামিয়া। শক সিনড্রোমের রোগী ছিল সে। আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টায় মারা যায় শিশুটি।

এদিকে, সকাল ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন প্রকৌশলী  মাহবুল্লাহ হক। তাঁর বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশায়। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের ব্যবস্থাপক (খনন) ছিলেন।

ঈদের দিন সোমবার বিকেল ৪টার দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে নেওয়া হয় মাহবুল্লাহ হককে। তাঁকে হাসপাতালের  আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে মারা যান তিনি।

এ ছাড়া গোপালগঞ্জে গিয়ে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ঢাকার রমনা পার্কের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোহাম্মদ রাসেল (৩২)। ঈদের দিন গতকাল সোমবার (১২ আগস্ট) বিকেলে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

রাসেল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার নারকেলবাড়ি গ্রামের সেলিমের ছেলে।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, রাসেল ঢাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গোপালগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে আসেন। প্রথমে তিনি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গত ১০ আগস্ট তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে মারা যান তিনি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা