kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

মশা নিধনের ওষুধ অকার্যকরের তথ্য সঠিক নয়: সাঈদ খোকন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ জুলাই, ২০১৯ ১৭:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মশা নিধনের ওষুধ অকার্যকরের তথ্য সঠিক নয়: সাঈদ খোকন

মশা নিধনের ওষুধ অকার্যকরের তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগর ভবনে বিদ্যমান মশার ওষুধের কার্যকারিতা এবং মশক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন ওষুধ নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মেয়র বলেন, ওষুধ আংশিকভাবে কার্যকর কিংবা অকার্যকর তা নিয়ে তর্ক, আলোচনা, সমালোচনা রয়েছে। ব্যাপকভাবে এটাকে নিরসন করার জন্য আমরা সরকারের রোগ তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটকে (আইইডিসিআর) আমাদের ব্যবহারকৃত ওষুধ সরবরাহ করবো। তারা পরীক্ষার-নিরীক্ষা করে যে সিদ্ধান্ত দেবে আমরা সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেবো।

তিনি আরো বলেন, যদি ওষুধের কোনও একটি অংশ অকার্যকর থাকে তাহলে সেটিকে রিপ্লেস করে দেবে আইইডিসিআর। এর পর আমরা তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে পাঠাবো। তাদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন মশা নিধনের জন্য দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করে। মশার ডিম, প্রজনন ক্ষেত্র এবং লার্ভা ধ্বংস করার জন্য ব্যবহার করা হয় ‘লার্ভিসাইড’ নামক ওষুধ। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে উড়ন্ত এবং অ্যাডাল্ট মশা মারার জন্য ‘অ্যাডাল্টিসাইড’ ওষুধ।

তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি, আবহাওয়ার তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আশা করছি, আগামী সপ্তাহ থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা কমে আসবে।  সিটি করপোরেশন সার্বিক শক্তি দিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ঢাকা সিটি করপোরেশনের মশা নিধনের ওষুধ স্যাম্পল হিসেবে গ্রহণ করে গবেষণা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে বিদ্যমান মশার ওষুধের কার্যকারিতা এবং মশক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন ওষুধ নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠকে বসেন মেয়র সাঈদ খোকন। এ বৈঠকে সাঈদ খোকনের সভাপতিত্বে আইইডিসিআর, আইসিডিডিআরবি, প্ল্যান প্রোটেকশন উইং, স্বাস্থ্য অধিদফতরসহ মোট ১০টি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা